Middle East Conflict: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে CBSE বোর্ডের দশম শ্রেণির সব পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও আপাতত স্থগিত। বৃহস্পতিবার একটি সার্কুলার জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বোর্ড।
ইরান আর ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে মধ্যপ্রাচ্যে CBSE বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) একটি সার্কুলার জারি করে জানিয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে দশম শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
CBSEর নির্দেশিকা
সার্কুলার নম্বর ৩-এ বলা হয়েছে, ৭ মার্চ থেকে ১১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত দশম শ্রেণির সব পরীক্ষা বাতিল। এর আগে যে পরীক্ষাগুলি পিছিয়ে ২, ৫ এবং ৬ মার্চ, ২০২৬ তারিখে হওয়ার কথা ছিল, সেগুলিও বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দশম শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের রেজাল্ট কীভাবে দেওয়া হবে, তা পরে জানানো হবে।
অন্যদিকে, দ্বাদশ শ্রেণির ৭ মার্চ, ২০২৬-এর পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়েছে। বোর্ড জানিয়েছে, ৭ মার্চ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ৯ মার্চ, ২০২৬ থেকে বাকি পরীক্ষাগুলির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরীক্ষার নতুন তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে। ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের স্কুলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে এবং বোর্ডের সরকারি ঘোষণাগুলির দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি
এই সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হওয়া তীব্র উত্তেজনা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের একাধিক শহরে বিমান হানা চালায়। তাদের নিশানায় ছিল ইরানের সেনা কমান্ড সেন্টার, এয়ার-ডিফেন্স সিস্টেম, মিসাইল সাইট এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিকাঠামো।
এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই এবং চারজন শীর্ষস্থানীয় সেনা ও নিরাপত্তা আধিকারিকের মৃত্যু হয়। তেহরান-সহ অন্যান্য বড় শহরে বড়সড় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।
এর জবাবে ইরানও চুপ করে থাকেনি। তারা আমেরিকা ও তার সহযোগী দেশগুলির উপর ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে পাল্টা হামলা চালায়। ইজরায়েল, বাহরিন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং জর্ডনেও হামলা চালানো হয়। এর ফলে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ও প্রবাসী কর্মীদের ঝুঁকি বেড়েছে।


