পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কেশপুরে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ছিল সব থেকে বেশি। এক তৃণমূল কর্মী খুন হয়। তারপরেও দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে প়ড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী পৃথীশ রঞ্জন কুয়ারসহ আহত হয়েছেন পুলিশ কর্মী ও বহু তৃণমূলের কর্মীও। কেশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। 

বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে আহতদের দেখতে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী শিউলি শাহা। আহতদের মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো তিনি।শিউলি সাহা জানান ,"বিজেপি হেরে যাবে বুঝতে পেরে এই সন্ত্রাসের আবহাওয়া তৈরি করেছে"। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন সিপিএমের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাও বর্তমানে বিজেপির খাতায় নাম লিখিয়েছে। তারাই গোটা বিধানসভা এলাকা ত্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  তাঁর ওপরেও হামলা চালান হয় বলে অভিযৌগ তোলেন শিউলি সাহা।  তাঁকে লক্ষ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন। পাশাপাশি তাঁকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 


এদিকে কেশপুরের গুন হারা গ্রামে গুরুতর জখম হয়ে কেশপুর হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর জন্য হাজির হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী । তিনি বলেন ছাপ্পা হয়েছে ,কুড়িটির বেশি বুথে। সংশ্লিষ্ট বুথগুলিতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানান হয়েছে। বিজেপি প্রার্থীও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। তিনি বলেন  কেন্দ্রীয় বাহিনী পক্ষপাতিত্বমূলক কাজ করেছে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে।

মোদী বললেন 'দিদির বিদায় নিশ্চিত', মমতা বললেন নন্দীগ্রাম নিয়ে ভয় নেই, উদ্বেগ গণতন্ত্র নিয়ে ...

আজব খেয়ালেই কেল্লাফতে, চিনা শিল্পীর হাতে তৈরি ট্রাম্পের 'বৌদ্ধ' মূর্তি ভাইরাল ...

পুলিশ ঘটনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিযোগে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে অনেকেই। পুলিশ সুপার দিনেশ কুমার জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা জুড়ে বিভিন্ন ঘটনা তে মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হ