ভারতের ক্রমশই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশের তরুণদের মধ্যেই সংক্রমণের প্রবণতা বেশি। এই বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রক উদ্বিগ্ন রয়েছে। কিন্তু উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বয়স্করা। কারণ সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ষাটোর্দ্ধ মানুষের মৃত্যুর হার ৬৩ শতাংশ। সেখানে ৪০ বছরের বেশি আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার অনেকটাই কম। ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ। ৪০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে আক্রান্তের পরিমান মাত্র ৭ শতাংশ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গোটা বিশ্বেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের তালিকায় বেশি স্থান পয়েছেন বয়স্করা। ৬০ -৮০ বছরের মধ্যে যাঁদের বয়স তাঁদের কাছেই করোনাভাইরাস অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।  তাই প্রথম থেকেই বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত সাংসদদের, একই পথের যাত্রী প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

আরও পড়ুনঃ মোদীর কথাই শুনলেন না তাঁর দলের বিধায়ক, মহারাষ্ট্রে লকডাউনের মধ্যেই ২০০ জনের জমায়েত

আরও পড়ুনঃ ভারতে করোনাভাইরাসের ১০টি হটস্পট, কেমন আছে দিল্লি, মহারাষ্ট্র আর কেরল

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে জানান হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩৯। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়ে হয়েছে ৪০৬৭। এখও পর্যন্ত মৃ্ত্যু হয়েছে ১০৯ জনের। তাবলিগি জমানেতর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ১৪৪৫ জনের। যারমধ্যে ৭৬ শতাংশই পুরুষ। আর বাকি ২৪ শতাংশ মহিলা। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে দেওয়া তথ্য বলা হয়েছে হরিয়ানায় ২৫ হাজার তাবলিগি জামাত কর্মী ও তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের  কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। ৫টি গ্রাম চিহ্নিত করাও হয়েছে। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে জানান হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে রীতিমত তৎপর কেন্দ্রীয় প্রশাসন। ইতিমধ্যে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন থেকে ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আরও ৩হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে।