করোনাভাইরায়ের ছায়া ক্রমশই কালো হচ্ছে। ২১ দিনের লকডাউনের প্রায় স্তব্ধ দেশের জনজীবন। ইতিমধ্যেই কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে দেশের অর্থনীতি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও একবার জনহিতকরী ভূমিকা নিল মোদী সরকার। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের জন্য দেশের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বেতন ৩০ শংতাংশ কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিলমহর দেওয়া হয়েছে। ওই টাকা করোনাভাইরাস ও তার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় খরচ করা হবে। প্রকাশ জাভড়েকর আরও জানিয়েছেন, ১৯৫৪ সালে মন্ত্রী-সাংসদদেক বেতন ও ভাতা আইনে পরিবর্তন আনার জন্য একটি অর্ডিন্যান্স আনা হয়েছে। তাতে সায় দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পয়লা এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে। 

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী বেতন ২লক্ষ টাকা। রাষ্ট্রপতি বেতন ৫ লক্ষ টাকা। তাঁরাও বেতনের ৩০ শতাংশ কম টাকা নেবেন। 

প্রকাশ জাভড়েকর আরও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাউডুই তাঁদের বেতনের ৩০ শতাংশ টাকা না নেওয়ার সিদ্ধান্তে নিয়েছেন। দেশের মানুষের স্বার্থেই দেশের প্রধানরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পাশাপাশি সব রাজ্যের ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের রাজ্যপালরাও ৩০ শতাংশ কম বেতন নেবেন বলে জানিয়েছেন। 

আরও পড়ুনঃ মোদীর কথাই শুনলেন না তাঁর দলের বিধায়ক, মহারাষ্ট্রে লকডাউনের মধ্যেই ২০০ জনের জমায়েত

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে রণনীতি বদলের পথে আইসিএমআর, দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নির্দেশ

আরও পড়ুনঃ মাত্র ৯ মিনিটেই কেল্লাফতে, মোদীর ডাকে আলো নিভিয়ে সাশ্রয় ৩২ জিগাওয়াট বিদ্যুৎ


প্রকাশ জাভড়েকর আরও জানিয়েছেন, আগামী ২ বছর অর্থাৎ ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের জন্য এমপি ল্যাডের বরাদ্ধ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংসদদের তহবিলের সেই টাকাও করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় কাজে লাগান হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ওই খাত থেকে প্রায় ৭৯০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এমপি ল্যাডের টাকায় সচারচর এলাকার উন্নয়ন করে থাকেন সাংসদরা।