দেশের রাজধানী দিল্লির মত বাণিজ্য রাজধানী মুম্বইও করোনা সংক্রমণের জেরে কাবু। বৃহস্পতিবার নতুন করে ১৪৩ জনের শরীরে সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। এরফলে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গেছে প্রায় সাতশোর কাছাকাছি। এই অবস্থায় শহরের ৩৮১টি এলাকাকে সংক্রমণ প্রবণ বলে ঘোষণা করল  বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন।

 

 

মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ মুম্বই মেট্রোপলিটন এলাকা এবং পুবে জেলার বাসিন্দা। এদিকে মুম্বই মেট্রোপলিটন অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে মুম্বই, থানে এবং নবি মুম্বই। এদিকে ধারাভি এলাকায় বুধবার নতুন করে ২ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। ফলে এই এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণে বাইরে না যায় সেকরাণে ঘনবসতিপূর্ণ গোটা এলাকাটিকে সিল করে দেওয়ার দাবি উঠছে। 

লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে হল ৩০ এপ্রিল, কেন্দ্রের আগেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা ওড়িশা সরকারের

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পেয়ে মোদী বন্দনায় ট্রাম্প, উত্তরে বন্ধুকে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকায় রক্ষে পাচ্ছেন না বসবাসরত ভারতীয়রাও, দেশটিতে মৃত্যু মিছিল ৬০ হাজার ছাড়ানোর আশঙ্কা

করোনা সংক্রনণ এড়াতে প্রয়োজনের খাতিরে যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাঁদের মাস্ক পড়া ইতিমধ্যে বাধ্যতামূলক করেছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। পাশাপাশি যেভাবে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে উদ্বিগ্ন পুরসভা ইতিমধ্যে করোনা পরীক্ষা করোনার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১ লক্ষ কোভিড ১৯ ব়্যাপিড টিস্ট কিট আমদানি করেছে।

মুম্বই শহরে যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে রোগীদের সেবা করতে গিয়ে কোভিড ১৯-এর শিকার হচ্ছেন  চিকিৎসক সহ  বহু স্বাস্থ্যকর্মী। সেই কারণে মহানগরীতে একাধিক হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যারমধ্য রয়েছে স্পন্দ হাসপাতাল, তারদেও ভাটিয়া হাসপাতাল এবং ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল। খাড়ের হিন্দুজা হাসপাতালেও রোগীদের ভর্তির বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন ওরলির ন্যাশনাল স্পোর্টস ক্লাবটিকে কোয়ারেন্টাইন হিসাবে গড়ে তুলছে। 

 

 

এদিকে বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রে নতুন করে ১৬২ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। এটাই একদিনে রাজ্যটিতে সবচেয়য়ে বেশি আক্রান্তের ঘটনা। ফলে মহারাষ্ট্রে  আক্রান্তের সংখ্যা একলাফে বেড়ে ১,২৯৭ তে পৌঁছে গেছে।  মুম্বইয়ের মত ব্যাপক আকারে না ছড়ালেও পুনাতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ বেশি। দেশের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।