করোনা সংক্রমণ এড়াতে বারবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণের সরকার লকডাউন করে রেখেছে গোটা দেশ। মানুষ যাতে একদিন গৃহবন্দি হয়ে থাকে তার অনুরোধ করেছেন স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা করতে গিয়ে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নিয়েছেন তাঁরা।চিকিৎসা করার সময় করোনা আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসে ইতিমধ্যে ভারতে কোভিড ১৯ রোগের শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এবার করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ডাক্তারদের সাহায্য করার জন্য রোবট বানিয়ে ফেলল  ছত্তিশগড়ের তিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া।

করোনা মোকাবিলায় ১০০ কোটি ডলার, নিজের সম্পত্তির ২৮ শতাংশ দান করে নজির গড়লেন তরুণ ধনকুবের

দেশে লকডাউনের মেয়াদ কি বাড়ছে, রাজনৈতিক দলগুলির সংসদীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সারলেন মোদী

দেশে ৫ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা রোগীর সংখ্যা, রেকর্ড গড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৭০০ বেশি

করোনা আক্রান্তের সেবা করতে উহানের হাসপাতালে রোবট নামিয়েছিল চিন সরকার। পশ্চিমের আধুনিক ও বিত্তশালী করোনা আক্রান্ত দেশগুলিও তাঁদের চিকিৎসা কর্মীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অনেক ক্ষেত্রেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় রোবটের সাহায্য নিচ্ছে। এক্ষেত্রে ভারতেও অবশ্য শুরু হয়েছে রোবটের ব্যবহার। সম্প্রতি তামিলনাড়ুর রাজীব গান্ধী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে চিকিৎসাকর্মীদের সারসরি সংযোগ দূর করতে রোবট নামান হয়েছে। একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে এই রোবট তৈরি করেছে সেখানকার এক সংস্থা। এবার কামাল দেখাল দেশের তিন ছাত্র।

 

 

ছত্তিশগড়ের ফাইনাল ইয়ারের তিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া মিলে একেবারে দেশিয় প্রযুক্তিতে বানিয়েছে এই রোবট। চিকিৎসকরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্তদের সেবা করছেন। তাঁদের কথা ভেবেই এই প্রয়াস বলে জানান তিন পড়ুয়ার অন্যতম যোগেশ সাহু। পড়ুয়াদের দাবি ইন্টারনেটের সাহায্যে যেকোন জায়গা থেকে এই রোবটকে অপারেট করা যাবে। এর ভিতরে থাকা ক্যামেরার সাহায্যে খুব সহজেই চিকিৎসক নিরাপদ দূরত্ব থেকে রোগীকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এই রোবট তৈরি করতে মাত্র ৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন যোগেশ। 

 

ইলেকট্রনিক্স ও কমিউনিকেশনের পড়ুয়া যোগেশের কথা, ইউটিভব দেখেই এমন রোবট তাঁরা বানিয়ে ফেলেছেন। আগামীদিনে করোনা মোকাবিলায় তাঁরা এমন আরও রোবট তৈরি করতে চান বলে জানিয়েছেন যোগেশ। এজন্য  রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে আর্থিক সাহায্যের অনুরোধ জানিয়েছেন তিন পড়ুয়া।

এদিকে  হায়দরাবাদের রাস্তায় এবার মানুষকে সচেতন করতে নামল করোনা গাড়ি। তেলেঙ্গানার সুধা কার মিউজিয়াম বানিয়েছে করোনাভাইরাসের মত দেখতে এই গাড়ি। শহরবাসীর মধ্যে মারণ ভাইরাস নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ইতিমধ্যে শহরের রাজপথে নেমে পড়েছে করোনা গাড়ি।