করোনভাইরাসের সংক্রমণ রীতিমত উদ্বেগ বাড়িছে উদ্ধব ঠাকরে প্রশাসনের। উল্কাগতিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশের শীর্ষ স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬১। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১২৭। এই পরিস্থিতিতে  দাঁড়িয়ে প্রায় সম্পূর্ণ লকডাউনের পথেই হেঁটেছে মহারাষ্ট্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউন ঘোষণার কয়েক দিন আগে থেকেই মুম্বইবাসীকে সতর্ক করে আসছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। বাড়ি থেকে বার হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বাণিজ্যনগরীর বড় বড় হোটেল রেস্তোরাঁগুলিও। বর্তমানে দেশের অধিকাংশ হোটেল, রেস্তোরাঁর মতই অতিথি বিহীন মুম্বইয়ের তাজ হোটেল। কিন্তু তাও নামি হোটেলের ৬ কর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। 

অতিথি বিহীন তাজ হোটেল। শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অল্প সংখ্যক কর্মী নিয়েই কাজ চালান হচ্ছিল। কিন্তু সেখানে ৬ কর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁদের মুম্বই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও জানান হয়েছে। একই সঙ্গে হোটেলে উপস্থিত বাকি কর্মীদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠান  হয়েছে বলে ইন্ডিয়ান হোটেলস কোম্পানির পক্ষ থেকে জানান থেকে জানান হয়েছে। তবে সেই সংখ্যাটা কত তা নিশ্চিত করা হয়নি সংস্থার পক্ষ থেকে। পাশাপাশি তাজ মহল প্যালেস ও তাজ টাওয়ার  সম্পূর্ণরূপে স্যানিটাইজ করা হয়েছে বলেও জানান হয়েছে। গ্রেটার মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, গত চৌঠা এপ্রিল তাজ হোটেলের চার কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ২ কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গত ১১ এপ্রিল। 

আরও পড়ুনঃ মাস্ক না পরে করোনাভাইরাসকে ডোন্ট কেয়ার, উত্তর কোরিয়ার কিম জং আছেন নিজের ছন্দে .
আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪ মৃত্যু ভারতে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যে নতুন করে আক্রান্ত আরো ৯০৯ ...
আরও পড়ুনঃ করোনা-সৈনিকদের সঙ্গে চরম বর্বরতা পঞ্জাবে, লকডাউনে হাত কাটা হল পুলিশের

সূত্রের খবর সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার ও নার্স যাঁরা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রথম থেকে সামনের সারিথেকে যুদ্ধ করে আসছেন তাঁদের বেশ কয়েকজনকে প্রথমে রাখা হয়েছিল কোলাবার তাজ প্যালেসে। পরে তাঁদের স্থানান্তরিত করা হয়েছিল বান্দ্রের তাজ ল্যান্ডেসে। সূত্রের খবর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের ব্যবহৃত ঘর ও প্রয়োজনী জিনিসগুলি হোটের কর্মীরাই পরিচ্ছন্ন করেছিলেন।  সেখান থেকেই হোটল কর্মীদের মধ্যে সংক্রণ ছড়িয়ে কিনা তা এখনও স্পষ্ট করেনি সরকার। পাশাপাশি বিষয়টি নিমে মুখ বন্ধ রেখেছে হোটেল কর্তৃপক্ষও।