করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গ কত দিন স্থায়ী হতে পারে ভারতে? এই প্রশ্নই ঘুরছে গোটা দেশে।কারণে প্রথম তরঙ্গর থেকে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে দ্বিতীয় তরঙ্গে। চলতি অবস্থায় করোনাভাইরাসের দৈনিক পরিসংখ্যান ২ লক্ষতে গিয়ে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতিতে ভাইরোলজিস্ট গগনদীপ কাউর জানিয়েছেন, গোটা বিশ্বের পরিস্থিতিত দেখে ধারনা করা হচ্ছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গে সর্বোচ্চ প্রায় ১২ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে এই দেশে। 


কতদিন স্থায়ী হবে দ্বিতীয় তরঙ্গে?
বিশ্বের একাধিক দেশের করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গে প্রায় ১২ সপ্তাহ বা তিন মাস স্থায়ী হতে পারে এই দেশে। এটি দ্রুত গতিতে বাড়তে। তারপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা কমবে। পাশাপাশি কমবে মৃত্যুর সংখ্যাও। ভাইরোলজিস্টের কথায় বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা ইতিবাচক হারের দিকে নজর রাখছেন। একই সঙ্গে নজর রাখা হচ্ছে সংক্রমিত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যার দিকেও। দ্বিতীয় তরঙ্গের ক্ষেত্রেও এদিয়ে রয়েছে প্রথম তরঙ্গে সামনা থাকা রাজ্যগুলি। মহারাষ্ট্র, কেরলে সংক্রমণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। 


ভ্যাকসিন করটা কার্যকরী?
বিশেষজ্ঞদের কথায় ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজটি গ্রহণ করার পর তার প্রভাব শুরু হতে তিন সপ্তাহ লেগে যায়। কোনও ব্যক্তি যদি প্রথম ডোজ গ্রহণের পরি সংক্রমিত ও অসুস্থ হয় তাহলে তা তিন সপ্তাহের মধ্যে ঘটেছে বলে পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে। ভ্যাকসিন রোগের মাত্রা বাড়িয়ে তোলা ও মৃত্যু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভ্যাকসিন দেওয়া ছাড়া করোনাভাইরাসে সংক্রমণ রুখতে অন্য কোনও পথ নেই বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

মহামারির উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কুম্ভ স্নান, পরিণত হচ্ছে করোনাভাইরাসের হটস্পটে ...

মাস্ক কতটা জরুরি?
ভ্যাকসিন ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখে দেওয়ার অন্য কোনও পথ নেই। কিন্তু ভ্যাকসিন গ্রহণের আগে বা পরে মাস্কের ব্যবহার অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব মেনে চলাও জরুরি। বর্তমানে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। আর সেই কারণেই দ্রুতগতিতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেও মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের কথায় ভিড় এড়িয়ে চলা ও স্যানেটাইজার ব্যবহার করাও অত্যন্ত জরুরি। 

পরবর্তী দলাই লামা কে ও কী ভাবে হবে নির্বাচন, তা নিয়ে দড়ি টানাটানি শুরু চিন-ভারত-আমেরিকার মধ্যে ...

বিশেষজ্ঞদের কথায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মূলত শ্বাসনালীর মধ্যে দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির ভিতরে বা বাইরে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের কথা বলা, চিৎকার, গানগাওয়ার মাধ্যেই ভাইরাল কনাগুলি ছড়িয়ে পড়ে। তাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণে খোলা জায়গায়র পাশাপাশি বদ্ধ জায়গাতেও হতে পারে বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনার দাপটে তিন দফার ভোট কি হতে পারে এক দফায়, আলোচনায় নির্বাচন কমিশন ...