দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষার পথেই কি ভারতআইসিএমআর ছাড়পত্র দিয়েছে  দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষারদ্রুত পরীক্ষা করেই সফল হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ামুম্বই ও দিল্লি শুরু করেছে প্রস্তুতি

তিন সপ্তাহের লকডাউনের এটাই শেষ সপ্তাহ। চলতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে ১৪৯ জনের। এই অবস্থায় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে রণনীতি বদল করার দিকেই হাঁটছে ভারত। ইতিমধ্যেই দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় ছাড়পত্র দিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ। আর তাকে হাতিয়ার করেই বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দ্রুত অ্যান্টিবডি পরিক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তেমনই জানিয়েছে একটি সূত্র । আর এই পরীক্ষা ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী কালে আবার লকডাউন ঘোষণা হবে কী অথবা লকডাউনের মেয়াদ আরও বাডানো হবে কী- তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রথমদফায় মূলত যেসব এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি সেই এলাকাতেই পরীক্ষা করা হবে। প্রত্যেকটি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও পরীক্ষা করা হবে। যাদের বিদেশ ভ্রমণের পূর্ব তথ্য রয়েছে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের সকল সদস্যেরও পরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজন পড়লে ওই ব্যক্তির আশেপাশে থাকা প্রতিবেশীদেরও পরীক্ষা করে দেখা হবে বলেই জানিয়েছে সূত্রটি।যেসব এলাকায় অভিবাসী শ্রমিকদের যাতায়াত রয়েছে সেই সব এলাকাগুলিতেও পরীক্ষা করা হবে। আইসিএমার আগেই জানিয়েছিল, যেসব এলাকায় জমায়েত হয়েছে সেই একাগুলিতে দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী। সেই দিকেই নজর দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর রয়েছে। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতেই ২১ দিনের লকডাউনের পথে হেঁটেছে ভারত। কিন্তু এখনও পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজন। সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে না হেঁটেও দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে পেরেছে, তার অন্যতম কারণই হল দ্রুত পরীক্ষা করে আক্রান্তদের চিহ্নিত করে আলাদা রাখে। জাপান স্টেট এমার্জেন্সি ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত লকডাউনের রাস্তা থেকে বিরত থেকেছে। একই ভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে জার্মানিও। আর দ্রুত পরীক্ষার মাধ্যমে রীতিমত সাফল্য পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এবার কী ভারত সেই পথে হেঁটেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চাইছে। 

আরও পড়ুনঃ হাউড্রোক্লোরেকুইনিন হাতে পাচ্ছেন বলেই সুর নরম ডোনাল্ড ট্রাম্পের, কী বললেন মোদীকে

আরও পড়ুনঃ করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ফেস মাস্ক কতটা নিরাপদ, কী বলছে সমীক্ষা

আরও পড়ুনঃ কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় জব্দ হতে পারে করোনাভাইরাস, কী বলছেন চিকিৎসকরা

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ইতিমধ্যেই জোর দিয়েছেন দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষার দিকে। কারণ দিলসাদ গার্ডেন, নিজামুদ্দিন এই দুটি এলাকায় দ্রুত পরীক্ষার মাধ্যমে আক্রান্তদের চিহ্নিত করতে পারলে সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা হলেও এড়ানো যাবে বলে মনে করছেন তিনি। একই পদক্ষেপ নিতে চলছে বম্বে মিউনিসিপালিসি কর্পোরেশন। প্রতিদিন ১হাজার মানুষের করোনা পরিক্ষার প্রতিস্তুতি শুরু করে দেওয়া হয়েছে। কিট হাতে পেলেই পরীক্ষা শুরু করা হবে বলেও জানান হয়েছে মহারাষ্ট্র প্রশাসনের তরফ থেকে।