মনের জোর আর ধৈর্য্য- এই দুটি জিনিসকে পাথেয় করে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিলেন দিল্লি ট্রিফিকের অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইন্সপেক্টর জিৎ  সিং। আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি দেশের সকল নাগরিকের উদ্দেশ্যেই বলেন এটা কোনও ভয়ঙ্কর রোগ নয়। লড়াই করার মানসিকতা আর মনের জোর থাকলে সহজেই মোকাবিলা করা যায় করোনাভাইরাসের। জিৎ সিংএর কথায়  প্রথম দিকে তিনি তেমন গুরুত্ব দেননি। সাধারণ জ্বর সর্দি হয়েছিল বলে এড়িয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরে প্রচণ্ড জ্বর আর প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে গিয়েছিলেন দিল্লির সফদারজং হাসপাতালে। সেখানে পরীক্ষার পর তিনি জানতে পারেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনি। তারপরই শুরু হয় তাঁর চিকিৎসা। আর সুস্থ হয়ে উঠে জিৎ সিং জানান, কোনও কঠিন লড়াই ছিল না তাঁর কাছে। 

 

জিৎ  সিং-এর কথায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরই অনেকে চিন্তা শুরু করে দেন কী হবে ? করোনা আক্রান্ত হয়েছি আমি? আমি কী আর বাঁচব ? জিত সিং-এর কথায় এই সব চিন্তা না করে ধৈর্য্য ধরে চিকিৎসকদের ওপর ভরসা রাখাই ভালো। তার কারণও জানিয়েছেন তিনি। জিৎ সিং-এর কথায় হাসপাতালে ভর্তির মাত্র তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই তিনি সুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। 

করোনাভাইরাস আন্তর্জাতিক মহামারীর আকার নেওয়ায় এই রোগে আক্রান্তরা প্রথমেই ভয় পেয়ে যান। আর তাঁদের উদ্দেশ্যেই জিৎ  সিং-এর বার্তা ভয় না পেয়ে লড়াই করে গেলেই আসবে সাফল্য। তাঁর কথায় সাহসের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে গেলেই করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সাফল্য পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত প্রায় ২হাজার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছে। 

আরও পড়ুনঃ মৃতের সংখ্যায় প্রথম চিন মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র নয়, করোনায় মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশের করতে হুঁশিয়ারি ট...

আরও পড়ুনঃ লকডাউনের শেষ ২ সপ্তাহে হাল ধরতে মরিয়া কেজরিওয়াল প্রশাসন, ঘোষণা আর কোনও ছাড় নেই দিল্লিতে ...

আরও পড়ুনঃ লকডাউনের মাঝেই চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর, ৩ মের পর পরীক্ষার নতুন সূচি ঠিক হবে ...