নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ফের বড় সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের সকল পুর প্রশাসকের পদ থেকে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সরাতে হবে। ওই সকল পদে বসাতে হবে সরকারি আধিকারিকদের। শনিবার এমনই নির্দেশ পাঠালো কমিশন। এই বিষয়ে বিজেপি-সহ সকল বিরোধী দলই কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল। কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, ২২ মার্চের মধ্যেই এই রদবদল করতে হবে।

২০২০ সালেই কলকাতা সহ রাজ্যের ৮১ টি পুরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তা করে উঠতে পারেনি রাজ্য সরকার। মেয়াদ ফুরানোর পর অধিকাংশ জায়গাতেই তৃণমূল নেতাদেরই, পুর প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের নিয়েই গঠিত করা হয়েছে প্রশাসক কমিটিও। মূলত জায়গায় জায়গায় পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যানদেরই প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন - ঘুষের বিনিময়ে প্রার্থীপদ, ব্রাত্য ওবিসি নেতা - কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রায়গঞ্জে

আরও পড়ুন - মমতার প্রকল্প কি সত্যিই মোদীর প্রকল্পের থেকে ভালো, না কি বঞ্চিত বাংলার মানুষ, দেখুন

আরও পড়ুন - তৃণমূলের নির্বাচনী ইশতেহার - প্রশ্নের মুখে 'দিদির অঙ্গীকার', উত্তর খুঁজছে বাংলার জনতা

বাম আমলে সাধারণত, কোনও পুরসভায় মেয়াদ পুরানোর পরও নির্বাচন না করা গেলে সরকারি অফিসারদেরই প্রশাসকের আসনে বসানো হতো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই রীতি ভেঙে দিয়েছিলেন। দলীয় নেতাদের প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করাটা নৈতিক ও আইনগত - দুই দিক থেকেই ঠিক নয় বলে দাবি বিরোধীদের। এই নিয়ে মামলাও করা হয়েছিল। হাইকোর্ট ঘুরে সেই মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে। তারমধ্যেই বিষয়টি চোখে পড়ল নির্বাচন কমিশনের। বিরোধীরা এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এই নির্দেশ আরও আগে আসা উচিত ছিল।