সাউদাম্পটনের রোজ বোলে প্রবাদ প্রতীম অজি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের নামে রয়েছে একটি গ্যালারি। যা আফগান দলের লেগস্পিনার রশিদ খানকে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ম্যাচে কিন্তু তাঁকে ছাপিয়ে গেলেন অফস্পিনার মুজিবুর রহমান। দেখা গেল তাঁর ক্যারম বলের দাপট। তার পরেও বাংলাদেশ ইনিংসকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেলেন সাকিব আল হাসান (৫১) ও মুশফিকুর রহিম (৮৩)। আর শেষ দিকে ২৪ বলে ৩৫ রান করে বাংলাদেশ ইনিংসকে ২৫০ রান পার করে দিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। সব মিলিয়ে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৬২ রান তুলল। যা এই পিচে বেশ কঠিন লক্ষ্য।

আরও পড়াুন - বিশ্বকাপ আইপিএল নয়, ম্যাঞ্চেস্টার পৌঁছেই সতর্ক করলেন চাহাল

সাউদাম্পটনের পিচ কিন্তু ইংল্যান্ডের বাকি মাঠের পিচগুলির থেকে অন্যরকম। ভারত আফগানিস্তান ম্যাচেও দেখা গিয়েছিল এই মাঠে স্ট্রোক খেলতে সমস্যায় পড়ছেন ব্যাটসম্যানরা। ইতিমধ্যেই এই মাঠে বেশ কয়েকটি খেলাও হয়ে গিয়েছে। এদিন পিচে বল পড়ে একেবারেই ব্য়াটে আসছিল না বল। ফলে এই পিচে রান করতে গেলে ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ দক্ষ হতে হবে।

এদিন সৌম্য সরকারকে মিডল অর্ডারে নামিয়ে এনে লিটন দাসকে দিয়ে ইনিংসের গোড়া পত্তন করিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তাতে লাভের লাভ কিছু হয়নি। লিটন (১৬), সৌম্য (৩) দুজনের কেউই রান পাননি। তামিম (৩৬) এদিনও ভাল শুরু করে বড় রানের ইনিংস মাঠেই ফেলে এলেন।

আরও পড়ুন - টাইটানিকের শহর থেকে ভারত ফের ডার্বির শহরে, পথে অভিনয়ে মাতিয়ে দিলেন হিটম্যান! দেখুন ভিডিও

এই পিচে রান করার জন্য বাংলদেশের সেরা দুই বাজি ছিল দলের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সাকিব ও মুশফিকুর। দুজনেই নিজেদের দায়িত্বটা যথাযথ পালন করলেন। চলতি বিশ্বকাপে এই নিয়ে তৃতীয় অর্ধশতরান হয়ে গেল সাকিবের। তার সঙ্গে আরও দুটি শতরানও আছে। আর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শতরানের পর এদিন আরও একটি শতরান করতে পারতেন মুশফিকুর। কিন্তু থামেন ১১ রান আগে।

পিচ থেকে যে স্পিন হচ্ছে তার পুরো ফায়দা তুললেন মুজিবুর রহমান। ১০ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে তিনি লিটন, সাকিব ও সৌম্যর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট দখল করেন। রশিদ খান কিমন্তু এইদিনও উইকেটহীন থাকলেন।