মাত্র ২ ইঞ্চি - এইটুকু দূরত্ব থেকে গেল বলেই ভারতের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা হল না। এমনটাই বলা হচ্ছে। মহেন্দ্র সিং ধোনির ব্য়াটটা কিপার প্রান্তের ক্রিজ থেকে ঠিক এতটুকু দূরেই ছিল, যখন প্রায় জিপিএস লাগানো আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো মার্টিন গাপ্তিলের ছোঁড়া বলটি এসে পড়ে উইকেটের গায়ে। ৫০ রান করে ফিরে যেতে হয় ধোনিকে।

হাতে ছিল ১০টি বল। রান বাকি ছিল ২৫। ধোনি থাকলে রানটা হয়েই যেত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শেষ ওভারে বল করতে আসতেন জিমি নিশাম। আর তার জন্য়ই যাবতীয় মারধর জমিয়ে রেখেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। নিজে ব্যাট করছিলেন ৪৯ রানে।

আরও পড়ুন - বিরাট-রোহিত ভরসা কাটাতে হবে! হৃদয় ভেঙেছে সচিনের, কী বললেন ধোনিকে নিয়ে

আরও পড়ুন - থ্রিডি ক্রিকেটার কাকে বলে, দেখালেন জাদেজা! এরপরও কি প্রশ্ন থাকবে

আরও পড়ুন - অবসন্ন, হতমান - আউট হওয়ার পরই ফিরলেন সোজা হোটেলে! অবসর নিয়ে ধোনি দলকে কী বলেছেন

এই অবস্থায় লকি ফার্গুসনের একটি বল ডিপ স্কোয়ার লেগে ঠেলে দুই রানের জন্য দৌড়ান তিনি। প্রথম রান সম্পূর্ণ করে দ্বিতীয় রানের জন্য দৌড়ে ফেরার পথেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। প্রায় বাউন্ডারি লাইন থেকে দৌড়ে এসে তিনি প্রায় ৫০ গজ দূর থেকে সরাসরি থ্রোয়ে উইকেট ভেঙে দেন। শুধু তাই নয়, যেখান থেকে তিনি বল ছোড়েন, সেখান থেকে মাত্রা একটি স্টাম্পই চোখে পড়ছিল।

ওই বলটা স্টাম্পে তো নয় যেন ভারতীয় সমর্থকদের বুকের উপর এসে পড়ে। এর দুইবল আগেই একটি দারুণ ছয় হাঁকিয়েছিলেন ধোনি। তিনি ফেরার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের ম্য়াচ জেতার সব আশাই শেষ হয়ে যায়। শুরুতে ভারতের প্রধান তিন ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে ভারতকে ভাল ধাক্কা দিয়েছিলেন কিউই বোলাররা। কিন্তু ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট যদি বলতে হয়, তা অবশ্যই এই আউট।

এই আউটের ভিডিওটি স্পেশাল এফেক্ট দিয়ে আলাদা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে আইসিসিও