চেপেচুপে রাখার চেষ্টার অন্ত নেই। তাও বেরিয়ে পড়ছে। গোপন কথাটা আর গোপন থাকছেন না - বিশ্বকাপ ২০১৯-এ ভারতের শেষ ম্যাচই মহেন্দ্র সিং ধোনির জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ ম্য়াচ হতে চলেছে। অন্তত সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর কাছে ভারতীয় বোর্ডের একটি সূত্র সেরকমই জানিয়েছে।    

তবে অবসরের বিষয়টি ধোনির উপরই ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে অধিনায়কত্ব যেরকম আচমকা ছেড়ে দিয়েছিলেন তাতে ধোনি কী করবেন তাই নিয়ে কেউই আগে থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাইছেন না। বিশ্বকাপের পর ধোনি যদি নিজে থেকে সরে নাও যান, বোর্ডের মনোভাব কিন্তু পাল্টে যাবে বলেই জানা গিয়েছে।
এখনও বিশ্বকাপ চলছে, তাই তাঁকে সবদিক থেকে বাঁচানো হচ্ছে। এরপর আর তা হবে না। জানানো হয়েছে বোর্ড ২০১৭ সালেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ধোনিকে আর ২ বছরই টানা হবে। তারপর ২০২০ সালের টি২০ বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে নতুন কাউকে তৈরি করা হবে।

আরও পড়ুন - সত্যিই কি বুড়ো হলেন ধোনি, নাহলে এত বড় ভুল হল কী করে! অবাক কোহলিরা, দেখুন ভিডিও

আরও পড়ুন - সিদ্ধান্ত নিক ধোনি, দলে চাই পন্থকে - জল্পনা উসকে দিলেন তাঁদের পূর্বসুরী

আরও পড়ুন - এমনকী সচিনেরও নেই ছাড়! ২৪ বছর ক্রিকেট সেবার পর জুটল তীব্র অপমান

দলে এখনও দারুণ জনপ্রিয়। কেউই ধোনিকে বিদায় দিতে প্রস্তুত নন। বিশ্বকাপে ধোনি খেলতে না পারলেও এখনও পর্যন্ত দল তাঁকে রক্ষা করেছে। কিন্তু সচিন-সৌরভের মতো প্রাক্তনরা ধোনির ব্য়াটিং-এর অ্যাপ্রোচ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেওয়ার পর আর সেই রক্ষাকবচ কাজ নাও করতে পারে।

একদল যখন তাঁর অ্যাপ্রোচ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আরেকদল দেখাচ্ছেন, দোনির দক্ষতায় মরচে পড়েছে। আগে যেভাবে আনহোনিকে হোনি করতে পারতেন এখন তা পারেন না। বিশ্বকাপে ধোনি ৯৩ স্ট্রাইক রেটে ২২৩ রান করেছেন। এটা দেখে বোঝার উপায় নেই মাঠে গিয়ে বড় শট খেলা বা প্রান্ত বদল করায় কীরকম অসুবিধায় পড়ছেন তিনি।

ভারতীয় দল ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছে। ফাইনালে উঠলে এবং কাপ জিতলে ধোনির মতো ক্রিকেটারের বিদায়ের আদর্শ মঞ্চ হবে।