গত শুক্রবার ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা বনাম পাকিস্তান ম্যাচের টস পর্যন্ত করা যায়নি। মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচেও একইরকম হতাশাজনক পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার জন্য টসের জন্য নির্ধারিত সময়ের পর একঘন্টা পার হয়ে গেলেও এখনও টস করা যায়নি। অথচ টুর্নামেন্টে এগোতে গেলে এই ম্য়াচ থেকে ২টি পয়েন্ট পাওয়া শ্রীলঙ্কার জন্য খুবই দরকারি ছিল। অন্যদিকে বাংলাগদেশও যে দুটি ম্যাচ জেতা আবশ্যক হিসেবে বেছে রেখেছে, তার মধ্যে একটি হল এই ম্যাচ।

দুই গলের ক্রিকেটাররাই মাঠে অপেক্ষা করছেন। অপেক্ষা করছেন এদিনের ম্যাচের আম্পায়াররাও। টসের নির্ধারিত সময়ে আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল বৃষ্টি থামলে আম্পায়াররা মাঠ পরিদর্শনে যাবেন। কিন্তু, এই প্রতিবেদন লেখার সময় আইসিসি একটি টুইট করে জানিয়েছে, মাঠে ফের ঝেঁপে বৃষ্টি নেমেছে। কাজেই আম্পায়ারদের মাঠ পরিদর্শনের সময়ও পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ব্রিস্টলের উইকেট এখনও ঢেকেই রাখা হয়েছে। মাঠ থেকে কুমার সাঙ্গাকারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মাঠের যা অবস্থা তাতে এদিনও ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এদিন যদি শেষ পর্যন্ত খেলা না হয়, তাহলে এই নিয়ে বিশ্বকাপে মোট এখনও পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ বাতিল হবে। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্য়াচে টসই করা যায়নি, আর সোমবার (১০ জুন) দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে মাত্র ৭.৩ ওভার খেলার পর বৃষ্টিতে ম্য়াচ ধুয়ে গিয়েছে।   

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা শ্রীলঙ্কার। কার্ডিফে বিশ্বকাপ ২০১৯-এ তাদের দ্বিতীয় ম্য়াচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বৃষ্টির জন্য ম্যাচে ওভার সংখ্যা কমে ৪১ হয়েছিল। সেই ম্যাচ অবশ্য তারা জিতে নেয়। তার পরের ম্য়াচ ব্রিস্টলেই বাতিল হয়েছে। এদিনের ম্যাচও বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

এদিকে রাউন্ড রবিন লিগের ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে-ও রাখা হয়নি। ফলে একের পর এক ম্যাচ বাতিল হওয়া নিয়ে হতাশা বাড়ছে ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্য়ে। প্রতি ম্যাচেই প্রিয় দলের জার্সি গায়ে, জাতীয় পতাকার রঙ মেখে, সেজেগুজে তাঁরা মাঠে আসছেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর ডিজের তালে কোমড় দুলিয়েই তাঁদের বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। এই নিয়ে মাঠে আসা অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।