ইনিংসে ১০ উইকেট বললেই, ক্রিকেটার থেকে সমর্থক - ভারতীয় ক্রিকেট মহলের প্রত্যেকের মাথায় আসে একটিই নাম, ভারতের প্রাক্তন লেগ-স্পিনার অনিল কুম্বলে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফিরোজ সাহ কোটলা টেস্টে তিনি এক ইনিংসে সবকটিঅর্থাৎ দশটি উইকেট-ই নিয়েছিলেন। তবে ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তির অধিকারী ভারতীয় বোলার এখন আর একমাত্র কুম্বলে নন, তাঁর রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন চন্ডিগরের এক অনূর্ধ্ব ১৯ মহিলা ক্রিকেটার।

বৃহস্পতিবার, অন্ধ্রপ্রদেশ-এর কেএসআরএম কলেজ গ্রাউন্ডে মহিলাদের অনূর্ধ্ব -১৯ ওয়ানডে ট্রফির ম্যাচ ছিল অরুণাচল প্রদেশ ও চণ্ডিগড়ের মধ্যে। সেই ম্যাচে চণ্ডিগড়ের মাত্র ১৬ বছরের জোরে বোলার কাশভী গৌতম অরুণাচলের ১০টি উইকেটই সংগ্রহ করেন।

আরও পড়ুন - মাঝে দুই বছরের বিরতি, ফের নেতৃত্বে ফিরলেন অরেঞ্জ আর্মির জেনারেল

শুধু তাই নয়, কাশভী এই দশ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৪.৫ ওভারে। রান দেন মাত্র ১২। সেইসঙ্গে একটি হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্বও রয়েছে। এই তরুণ পেসার-এর দাপটেই চন্ডিগড়ের বিরুদ্ধে অরুণাচল প্রদেশ মাত্র ২৫ রান করে অলআউট হয়ে যায়। এখানেই শেষ নয় প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৬৮ বলে ৪৯ রান করে তিনিই ছিলেন চন্ডিগড়ের সর্বোচ্চ স্কোরার।

আরও পড়ুন - এবারও আইপিএল কি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে ধোনির চেন্নাই, দেখে নিন ম্যাচের দিনক্ষণ

বিসিসিআই উইমেনস এর সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে কাশভীর এই দারুণ কীর্তির ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। এমনকী আইসিসি-ও কাশভী-র ভিডিও শেযার করেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা কাশভী-র ব্যাটিং-বোলিং দেখে এতটাই উত্তেজিত, যে তারা ১৬ বছরের এই মহিলা ক্রিকেটার-কে ভারতের জাতীয় দলে ডাকার আওয়াজ তুলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এখনও পর্যন্ত মাত্র দুজন ক্রিকেটারই এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট শিকার করেছেন। একজন অবশ্যই অনিল কুম্বলে, অপরজন ইংল্যান্ডের জিম লেকার। ১৯৫৬ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে ৫১.২ ওভারে বোলিং করে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন - ডিভিলিয়ার্সকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালেন কোহলি, বললেন শিগগিরই দেখা হচ্ছে

সীমিত ওভার অর্থাৎ ওয়ানডে বা টি২০ ক্রিকেটে এখনও পর্যন্ত কোনও বোলারই ইনিংসে ১০ উইকেট পাননি। ওয়ানডে ম্যাচে সেরা বোলিং রেকর্ড শ্রীলঙ্কার চামিন্দা ভাস-এর। জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ১৯ রান দিয়ে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন। অন্যদিকে টি২০ ক্রিকেটে নাগপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৯ রানে দীপক চাহারের ৬ উইকেট নেওয়াই সেরা।