করোন ভাইরাসের মোকাবিলায় পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই এখনও চলছে লকডাউন। লাগাতার লকডাউনের জেরে ভেঙে পড়েছে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। যার ফলে বেড়েছে দুষ্কৃতী কার্যকলাপও। কিছুদিন আগেই লন্ডনে নিজের বাড়িতে ডাকাত দলের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ইংরেজ ফুটবলার ডেলে আলি। ডেলে ও তাঁর ভাই হিকফোর্ডকে ছুরির ডগায় রেখে টাকা-পয়সা ও অন্যান্য দামি দামি জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়েছিল ডাকাতের দল। শুধু লন্ডন নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বেড়েছে অপরাধের মাত্রা। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার কাপটাউন শহর দুষ্কৃতি কার্যকলাপের নিরিখে বিশ্বে অষ্টমস্থানে রয়েছে। সেখানে এক সপ্তাহে তিন-তিন বার ডাকাত দলের হানায় জীবন ব্যতিব্যস্ত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলেরর তারকা পেসার ডেইল স্টেইনের।

আরও পড়ুনঃপ্রয়াত হলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রবীণতম ক্রিকেটার

কেপটাউনে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য এতটাই বেড়েছে যে তারকারাও রক্ষা পাচ্ছে না তার হাত থেকে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে তিনবার তাঁর বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্টেইন। তবে তিনবারের একবারও দুষ্কৃতীরা কার্যসিদ্ধি করতে পারেননি। স্টেইনের বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতই ভাল যে গেটের তালা ভাঙা সত্ত্বেও বাড়ির ভেতর পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারেননি দুষ্কৃতীরা। তাই তিনবারের একবারও তার বাড়ি থেকে কিছু খোয়া যায়নি।তবে ঘটনায় বেশ আতঙ্কিত স্টেইন সোশ্যাল মিডিয়ায় দুঃসহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। ট্যুইটারে স্টেইন লিখেছেন,‘গত শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত আমার বাড়িতে তিন-তিনবার চুরির চেষ্টা করা হয়েছে। গতকাল ওরা আমার বন্ধুর গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। আজ রাতের ঘটনায় আমার মা ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছে। উনি বাসায় একা ছিলেন। করোনা মানুষকে বেপরোয়া করে তুলছে। আশা করি এই টুইট ওদের শাস্তি দিতে পারবে। সবাই নিরাপদ থাকুন।’

 

 

আরও পড়ুনঃআজ মাঠে ফিরছেন লিওনেল মেসি,ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব

আরও পড়ুনঃপ্রত্যাবর্তনে পেনাল্টি মিস রোনাল্ডোর,অ্যাওয়ে গোলের ভিত্তিতে ফাইনালে জুভেন্টাস

এক সমীক্ষার রিপোর্ট জানাচ্ছে লকডাউনের জেরে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুষ্কৃতি কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। ১জুন থেকে সেদেশে শুরু হয়েছে তৃতীয় দফা লকডাউন। শিথিলও হয়েছে কিছু নিয়ম। মানুষজন রাস্তাঘাটে কাজে বেরোতেই খুনের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এই বিষয়ে স্টেইন জানিয়েছেন,করোনা সংকট যেন আরও দুষ্কৃতি কার্যকলাপ আর বাড়িয়ে তুলেছে। কারণ হিসেবে স্টেইন বলেছেন, এমন সময় কাজ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই অর্থাভাবের মধ্যে খাবারের খোঁজে মানুষ হন্যে হয়ে অসামাজিক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। প্রশাসনকে আরও কড়া হবার বার্তাও দিয়েছেন প্রোটিয়া তারকা।