১৮ তম ওভারে ভারত অধিনয়াক রোহিত শর্মা বল তুলে দিয়েছিলেন দলের স্পিনার চাহালের হাতে। আগের ওভারেই সেট ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার আউট হয়েছেন। এবার মুসফিকুরকে আউট করতে পারলেই ম্যাচ নিজেরে দিকে টেনে নেওয়া যাবে। অধিনায়ক রোহিতের সেই চাল ক্লিক করে গেল। মুসফিকুর চাহালকে স্লগ সুইপ করে ছয় মারতে গেলেন। মিড উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রণাল পাণ্ডিয়ার হাতে সহজ ক্যাচ। কিন্তু যতটা সহজ সেই ক্যাচ ছিল তার থেকেও সহজ ভাবে সই ক্যাচটা মিস করলেন ক্রুণাল পাণ্ডিয়া।  ভারত বাংলাদেশ টি-২০ ম্যাচের ফলাফলটা তখনই লেখা হয়ে গেল। সৌম্য সরকারের গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে মুসফিকুর রহিম ভারতের বিরুদ্ধে দেশকে প্রথমবার টি-২০ ম্যাচ জেতালেন।

আরও পড়ুন - ধোঁয়াশা কাটিয়ে দিল্লিতে এক হাজারী মাইলস্টোন গড়ল টি২০ ক্রিকেট

দিল্লিতে শুরুথেকেই যেন সমস্যা। একেতো ধোঁয়াশার জন্য ম্যাচ নিয়েই প্রথমে সংশয় ছিল। সেই সমস্যা কাটিয়ে মাঠ ভর্তি কোটলায় ম্যাচ শুরু হল। তবে টসটা হেরে বসলেন রোহিত। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতীয় দল প্রথমে ব্যাটিং করে একটু হলেও চাপে থাকে। টস জিতে সেই সুযোগটা নিয়ে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠালেন বাংলাদেশ অধিনায়র মহমদুল্লা। প্রথম ওভারেই রোহিতের উইকেট হারিয়ে চাপে পরল ভারত। সেই চাপ থেকে টিম ইন্ডিয়া আর বেড়িয়ে আসতে পারল না। সমস্যা সেই মিডিল অর্ডারে। ধাওয়ানের ৪১ ছাড়া আর তেমন ভাবে রান পেলেন না ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান করল ভারত। 

আরও পড়ুন - টাকা-গাড়ি-বাড়ি সবই ছিল তালিকায়, বুকিদের প্রস্তাব নিয়ে আবার বাউন্সার শোয়েবের

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটাও ভালও হয়নি। তবে তিন নম্বরে নেমে দলের ইনিংসের হাল ধরলেন সৌম্য সরকার। প্রথমে নইমের সঙ্গে ছোট পার্টনারশিপ, তারপর মুসফিকুর রহিমের সঙ্গে ম্যাচ জেতানো পার্টনারশিপ।  ৩৯ রান করে ফিরলেন সৌম্য। কিন্তু মুসফিক উইকেট ছাড়লেন না। মহমদুল্লা দিলেন তুলির শেষ টান।  সাত উইকেটে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে ১-০ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি, টানা আট ম্যাচে হারের খরা কাটাল বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা হলেন মুসফিকুর রহিম। তিন ম্যাচের সিরিজ এবার টিম ইন্ডিয়ার কাছে নক আউট। দুটি ম্যাচেই জিততে হবে সিরিজ জিততে হল। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ বৃহস্পতিবার রাজটোকে। 

আরও পড়ুন - বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল প্রথম টি-২০ ম্যাচ, নতুন নজির গড়লেন পাক পেসার ইরফান