বিজয় হাজারের প্রথম ম্যাচে গুজরাতের বিরুদ্ধে ৩৮ রানে হারলো বাংলা। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঢাকতে এবছর মরশুম শুরু হওয়ার আগে থেকেই নিয়মিত প্রস্তুতিতে নেমে পরেছিল বাংলা দল। তবুও হল না সুরাহা। প্রথম ম্যাচ হেরেই এবছরের মরশুম শুরু করল বাংলা। প্রথম ম্যাচে দলে ছিলেন না নির্বাচিত নয়া বাংলা অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। আর তাঁর অনুপস্থিতিতে ফের একবার ব্যাটিং ব্যর্থতার সামনে পরলো বাংলা শিবির।

জানতে পড়ুন, বাংলা ক্রিকেটের আস্থা সৌরভেই, ফের সিএবির দায়িত্বে মহারাজ অ্যান্ড কোং

এদিন টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বঙ্গ অধিনায়ক সুদীপ। জয়পুরের উইকেটে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভালো করলেও, ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমানিত হল বাংলার ব্যাটসম্যানরা। ম্যাচের প্রথম থেকে নিজেদের সাবলীল বোলিং করেন বাংলার অশোক দিন্দা, সায়ন ঘোষ, আকাশদীপরা। প্রতিপক্ষ গুজরাতকে ৫০ ওভারে মাত্র ২৫৩ রানে আটকে দিয়েছিল বাংলার বোলাররা। তবে ব্যাট হাতে এদিন নেমে ডাহা ফেল করলেন মনোজ তিওয়ারি, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক রামনরা। ওপেন করতে নেমে একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসাবে এদিন দলের হাল ধরেন শ্রীবৎস গোস্বামী। ৭৯ রানের ইনিংস খেললেও ম্যাচ শেষ করে আসতে পারেননি শ্রীবৎস। মাত্র ৪ রানে আউট হন দলের অধিনায়ক সুদীপ ও শূন্য রানে ফিরে যান মনোজ। তবে এদিন ঋদ্ধিমান সাহার ওপর বাড়তি আত্মবিশ্বাস ছিল দলের। কিন্তু ব্যাট হাতে লম্বা ইনিংস খেলতে ব্যার্থ হন ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষকও। বাংলার হয়ে মাঝের ওভারে খেলা ধরেছিলেন শ্রীবৎস, অনুষ্টুপ জুটি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জেতাতে ব্যর্থ হন দুই ব্যাটসম্যান। অনুষ্টুপ আউট হন ৩৯ রানে ও ৭৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন শ্রী। সেই সুবাদে ৪৬.২ ওভারে ২১৫ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলার ইনিংস। কিন্তু ফের দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা ও মনোজ, সুদীপদের রান না পাওয়া মরশুমের শুরু থেকেই চিন্তায় রাখলো অরুণ লালের দলকে। কার্যত সেই কারণে প্রথম ম্যাচে প্রাক্তন কোচ সাইরাজ বাহুতুলের গুজরাতের বিরুদ্ধে হারতে হল বাংলাকে।

জানতে পড়ুন, প্রথম বিশ্বজয়ের ১২ বছর, ধোনি মজে গলি ক্রিকেটে

বল হাতে এদিন বাংলার হয়ে ৩ উইকেট নেন অশোক দিন্দা। দুটি করে উইকেট পান আকাশদীপ ও সায়ন ঘোষ। দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার অর্ণব নন্দী এদিন ১ উইকেট পেলেও ১০ ওভারে মাত্র ৩৩ রান দেন তিনি। বল হাতে ভালো করেন অর্ণব, শাহবাজরা। বাংলার পরের ম্যাচ ২৮ তারিখ সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে। মহালয়ার দিন এই ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে জয়ের জন্যই ঝাঁপাতে চাইছে সুদীপ চট্টোপাধ্য়ায়রা।