বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচে তামিলনাড়ুর কাছে হার বাংলার। শহবাজের দুরন্ত শতরান সত্বেও দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৭৪ রানে হারের মুখ দেখলো বাংলা দল। জয়পুরে এদিন টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। প্রথমে ব্যাট করে ২৮৬ রান করে তামিলনাড়ু দল। দীনেশ কার্তিকের অনবদ্য ৯৭ রান ও বিজয় শঙ্করের ৪১ রানের সুবাদে এদিন ২৮৭ রানের লক্ষ্য বাংলাকে দেয় তামিলনাড়ু দল। তবে ব্যাট করতে নেমে শহবাজ সেঞ্চুরি পেলেও মাত্র ২১২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস।

আরও পড়ুন, ,মিডল অর্ডার থেকে ওপেনারের ভূমিকায় সেরা পাঁচ সফল ব্যাটসম্যান

এদিন প্রথমদিকে ভালো বোলিং করতে দেখা গিয়েছিল বাংলার বোলারদের। তামিলনাড়ুন মিডল অর্ডারে বাবা অপরাজিতের ৩৪ রান ছাড়া সেই ভাবে রান করতে দেখা যায়নি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের। তবে তামিলনাড়ুর হয়ে মিডল অর্ডারে খেলা ঘুরিয়ে দেন দীনেশ কার্তিক ও বিজয় শঙ্কর। কার্তিক করেন ৯৭, শঙ্কর করেন ৪১ ও লোয়ার অর্ডারে নেমে এদিন বাংলার বিরুদ্ধে রান করেন শাহরুখ খান। ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তবে তামিলনাড়ুর তিন ব্যাটসম্যান রান পেলেও এদিন বাংলাকে একাই টানলেন শহবাজ। অনবদ্য সেঞ্চুরি করলেও দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের সহযোগিতা না পাওয়ায় এদিন হারতে হল বাংলাকে। তবে লোয়ার অর্ডারে ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে এদিন সেঞ্চুরি হাকিয়ে চমক দিলেন শহবাজ।

আরও পড়ুন, প্রায় ২ বছর পর প্রথম দলে ফিরলেন ঋদ্ধিমান, দলে অশ্বিনও

তবে মরশুমের শুরুতেই বাংলার পিছিয়ে থাকার মূল জায়গা হল মনোজ তিওয়ারি ও সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যাটিং ব্যর্থতা। তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে মঙ্গলবারও মাত্র ১ রান করে ড্রেসিং রুমে ফিরলেন সুদীপ ও মাত্র ৩ রান করে আউট হবলেন মনোজ তিওয়ারি। পাশাপাশি এদিন দ্বিসংখ্যক রান করতে পারলেন না টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরাও। শুধুমাত্র শহবাজের ১০৭ রানের ইনিংসে ২১২ রানে অলআউট হল বাংলা দল। এই ম্যাচ হেরে এলিট গ্রুপ সিয়ের ৪ নম্বরে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলা দল। ৪ ম্যাচে ২টিতে জয় ও দুটি হারের সুবাদে ৮ পয়েন্ট বাংলার ঝুলিতে। বাংলার পরের ম্যাচ ৩ অক্টোবর রাজস্থানের বিরুদ্ধে।