দলে অনেক বদল করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে গিয়েছিল পাকিস্তান। সরফরাজ খানকে অধিনায়ক পদ থেকে সরিয়ে আজার আলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তান দলের দায়িত্ব। কিন্তু তাতে যে পাক দলের অন্দর মহলের ছবিটা বদলে যায়নি সেটা পরিস্কার। টি২০ সিরিজে হারের পর এবার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচেই লজ্জার হার পাক দলের। একাই লড়াই করলেন পাক ব্যাটসম্যান বাবর আজম। তাঁকে কিছুটা সঙ্গ দিয়েছিলেন উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান মহম্মদ রিজওয়ান। ৯৫ রান করলেন তিনি। কিন্তু বাবর-রিজওয়ান পার্টনারশিপ শেষ হতেই পাকিস্তান দলটাও শেষ।

 

 

আরও পড়ুন - বয়স লুকিয়েই কি রেকর্ড করেছেন পাক ক্রিকেটার, প্রশ্নে উত্তাল ক্রিকেট বিশ্ব

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে। অনেক আশা নিয়েই এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নেমেছিল পাকিস্তান। কিন্তু চার দিনেই সব আশা শেষ তাদের। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিংয়ের দাপটে মাত্র ২৪০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।  জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৫৮০ রানের পাহাড় তৈরি করে অজিরা। জোড়া শতরান ওয়ার্নার ও লাবুশানের ব্যাট থেকে। প্রথম ইনিংসে ৩৪০ রানে পিছিয়ে থেকে মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। ম্যাচ বাঁচাতে যে লড়াইটা প্রয়োজন ছিল সেটা করতে পারল না তারা। 

আরও পড়ুন - আগামী বছর যাবেন বাংলাদেশে, শেখ হাসিনাকে কথা দিয়েছেন সৌরভ

দ্বিতীয় ইনিংসে ১০০ রান স্কোর বোর্ডে তোলার আগেই পাকিস্তানের অর্ধেক ব্যাটিং প্যাভেলিয়ানে ফিরে যায়। এরপর বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ানের ১৩২ রানের পার্টনারশিপ কিছুটা লড়াই করার যায়গায় নিয়ে যায় তাদের। ১৭৩ বলে ১০৪ রান করেন বাবর আজম। মারেপ ১৩টি চার। ১৪৫ বলে মহম্মদ রিজওয়ানের সংগ্রহ ৯৫। এরপর ইয়াসির শাহ ৪০ রান করলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে জয়ের জন্য চাই দলগত পারফরম্যান্স। কিন্তু সেটা পাকিস্তান দল করে দেখাতে পারল না। অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিংয়ের ছোবলে ধরাসায়ী পাকিস্তান। পাক শিবিরের ২০টি উইকেটের মধ্যে ১৮টি এল পেসারদের দখলে। এরপর টেস্ট হবে অ্যাডিলেডে। সেটা আবার দিন রাতের পিঙ্ক বল টেস্ট। কিন্তু প্রথম টেস্ট হেরে পাকিস্তান যে শুরুতেই ব্যাকফুটে। 

আরও পড়ুন - মানসিক সমস্যা কাটিয়ে ক্রিকেটে ফিরলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, নিলেন দুটি উইকেট