করোনা ভাইরাসের থাবায় কার্যত স্তব্ধ গোটা বিশ্ব। দ্রুত হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। যা আগামিতে আরও ভয়াবহ পরিণতির বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছে সব মহল। করোনার গ্রাসে সবুজ মাঠের গালিচাও। কররোনা কারণে গোটা বিশ্বজুড়ে বাতিল হয়ে গিয়েছে একের পর এক টুর্নামেন্ট। সেই তালিকা রয়েছে ইপিএল, লা লিগা, ইতালিয়ান সিরি এ, ফ্রেঞ্চ লিগ, বুন্দাস লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগের মত টুর্নামেন্ট। আক্রান্ত একাধিক প্লেয়ার, কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অনেকে। স্পেনে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে এক ফুটবল কোচের। বাতিল হতে পারে অলিম্পিক টোকিও ২০২০। ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও এই মারণ ভাইরাসের প্রভাব কিছু কম নয়। করোনা আতঙ্কের জেরে বাতিল হয়ে গিয়েছে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা  একদিনের সিরিজ। বাতিল হয়ে গিয়েছে ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা সফর, অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজের দুটি ম্যাচ, পাকিস্তান সুপার লিগ। শুধু তাই নয় বিঁশ বাও জলে ভারতের একমাত্র কোটিপতি লিগ আইপিএল। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত রাখা হলেও আদৌ আইপিএল হবে কিনা তা নিয়েও রয়েছে সংশয়। 

আরও পড়ুনঃএবার কোয়ারেন্টাইনে গেলেন জুভেন্তাস কোচ, করোনার থাবায় জেরবার ক্লাব

ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এত বড়  বড় ক্রিকেটিং ইভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলেও, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের কী ভবিষ্যৎ। আদৌ কি এই বছর অক্টোবরে টি-টেয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে। ১৮ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মাাটিতে শুরু হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফাইনাল ১৫ নভেম্বর মেলবোর্নে। সাতটি ভেন্যুতে হওয়ার কথা বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ করার বিষয়ে আশাবাদী অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। এসিবির দাবি, বছরের শেষে টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের সূচি বদলাতে হবে না। তার আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তাই বছরের শেষে টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের সূচি এখনই বদলাতে চাইছে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সমস্ত বিষয়টি দেখে নিয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে বলে জা‌নিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃস্পেনে ফিরেই স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে এটিকে কোচ হাবাস

আরও পড়ুনঃমহামারী করোনা, সচেতনতা বাড়াতে সেফ হ্যান্ডস চ্যালেঞ্জ গ্রহণ সচিন, সিন্ধু, হিমার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কেভিন রবার্টস বলেছেন, “আমরা আশা করছি কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের মধ্যে সব ধরনের খেলাধূলা শুরু করা যাবে। তবে এই পরিস্থিতিতে কেউই তো বিশেষজ্ঞ নই আমরা। তবে আশা করছি যে অক্টোবর-নভেম্বরে পরিস্থিতি একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আশা করছি ১৫ নভেম্বর মেলবোর্নের গ্যালারি ভর্তি থাকবে।” অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড আশাবাদী হলেও, যেভাবে করোনার প্রভাব বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে তাতে এই মুহূর্তে কোনও আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।