যে কটা দিন তারা একসাথে খেলেছিলেন সেই সময় তাদের সম্পর্কে কোনও তিক্ততা ছিল না। যখন ইংল্যান্ডের জার্সি পড়ে তিনি এবং কেভিন পিটারসন মাঠে নামতেন দলকে জেতাতে তখন সমস্ত কিছু খারাপ লাগা গুলো মাঠের বাইরে রেখে আসতেন, জানালেন প্রাক্তন ব্রিটিশ অফস্পিনার গ্রেম সোয়ান। তিনি এবং কেভিন পিটারসন দুজনেই খুবই সফল একটি ইংল্যান্ড দলের সদস্য ছিলেন। তারা দুজনেই ইংল্যান্ড দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করেছিলেন। তারা দলের টেস্ট রাঙ্কিং ভালো জায়গায় নিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন। একসাথে তারা ঘরে এবং বাইরে দুই জায়গাতেই অ্যাসেজ জিতেছেন। 

আরও পড়ুনঃলকডাউনের দিল্লি পুলিসের কাজের প্রশংসা বিরাট কোহলি, ইশান্ত শর্মা ও অন্যান্য ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের

সোয়ান জানিয়েছেন তারা সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তার এবং কেভিন পিটারসনের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন তারা এমন একটি দলের সদস্য ছিলেন যারা একসময় টেস্টে পয়লা নম্বর জায়গা দখল করেছিল। এই সময় সোয়ান ৬০ টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৫৫ টি উইকেট নিয়েছিলেন। পিটারসন এই সময় দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন। ২০০৮ সালে পিটারসন অধিনায়ক হয়ে ইংল্যান্ডকে তিনটি টেস্ট এবং ১০ টি ওয়ান ডে ম্যাচে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন কোচ পিটার মুরসের সাথে মতবিরোধ হওয়ায় তিনি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন।  

আরও পড়ুনঃলকডাউনে মোবাইল নেটওয়ার্ক পেতে রোজ মগডালে উঠছেন আইসিসির আম্পায়ার

আরও পড়ুনঃকরোনা যুদ্ধে ফের মানবিক উদ্যোগ সচিন তেন্ডুলকরের,৫ হাজার মানুষের খাওয়ার দায়িত্ব নিলেন মাস্টার ব্লাস্টার

কেভিন পিটারসনের সাথে তার সম্পর্ক তিক্ত হওয়া নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন অধিনায়ক থাকাকালীন পিটারসন অধিনায়ক থাকাকালীন নিয়ম শৃঙ্খলার ধার ধারতেন না। তাই অধিনায়ক থাকাকালীন তার সঙ্গে পিটারসনের সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল। সেই তিক্ততা সত্ত্বেও তার দলে পিটারসনের জায়গা পাকা সবসময়, জানিয়েছেন সোয়ান। ২০১৩ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ৫-০ ফলে ইংল্যান্ড হারার পর তিনি অবসর নেন ক্রিকেট থেকে। এদিকে বোর্ডের সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে তার পরপরই ইংল্যান্ডের হয়ে পিটারসনকে মাঠে নামাতে অস্বীকার করে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। তার কেরিয়ারে পিটারসন ১০৪ টি টেস্ট খেলে ৮১৮১ রান, এবং ১৩৬ টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলে তিনি ৪৪৪০ রান করেছেন।