দেশ জুড়ে দ্রুত গতিতে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ক্রমশশ ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি। কোভিড ১৯ মোকাবিলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করছে কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারগুলি। কিন্তু সবে যে লড়াইয়ের শুরু, এখনও অনেক পথ বাকি সেই বাস্তবটা টের পাচ্ছেন প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা।   ওড়িশা এবং পাঞ্জাব ইতিমধ্যেই আবার লকডাউনের সময়সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশেও লকডাউন বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের রাজ্যগুলির মধ্যে মহারাষ্ট্রের অবস্থা খুবই শোচনীয়। এই পরিস্থিতিতে ফের মানবিক পদক্ষেপ নিলেন সচিন তেন্ডুলকর। ৫ হাজার দুস্থকে খাওয়ানোর দায়িত্ব নিলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

আরও পড়ুনঃলকডাউনে লিয়েন্ডার পেজের দেওয়া 'নো লুক ফ্রাইং প্যান চ্যালেঞ্জে' মজে টেনিস দুনিয়া

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে গোটা দেশ। ভাইরাসের আক্রমণে গোটা দেশ গৃহবন্দি। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের অবস্থা সব থেকে বেশি খারাপ। বন্ধ রোজগারের রাস্তা। যাতে আরও সমস্যায় পড়তে হবে এই মানুষদের। কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই লকডাউন জরুরী। কেন্দ্র ও রাজ্যরকারের নির্মীত তহবিলগুলিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টরা।  ব্যতিক্রমী নন শচীনও। মহারাষ্ট্র সরকার এবং কেন্দ্রর ত্রাণ তহবিলে ২৫ লক্ষ করে মোট ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন তিনি। এবার আপনালয় নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে এক মাসের জন্য পাঁচ হাজার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে নিলেন।

আরও পড়ুনঃক্রিকেটারদের ফিট থাকার সিক্রেটগুলি বললেন প্রাক্তন ভারতীয় ফিটনেস ট্রেনার রামজি শ্রীনিবাসন

আরও পড়ুনঃভিত্তিহীন খবরের জের,নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন মেসি

এই মানবিক পদক্ষেপের জন্য সচিন তেন্ডুলকরকে ধন্যবাদও জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি। তারা লিখেছেন, , “লকডাউনে যাঁদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন শচীন। এমন সংকটের দিনে আপনালয়ের পাশে দাঁড়ানোয় তাঁকে ধন্যবাদ। এক মাসের জন্য পাঁচ হাজার মানুষকে খাওয়াবেন তিনি।” উত্তরে লিটল মাস্টার লেখেন, “আপনালয়ের জন্য আমার শুভেচ্ছা রইল। দুস্থদের সেবার এই মহৎ কাজ চালিয়ে যাও তোমরা।” সচিনের একের পর এক উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানিয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে ক্রিকেট প্রেমী ও তার ভক্তরা। অনেকর মতে, সচিন শুধু ক্রিকেটেরই ঈশ্বর নন, সংকটের সময় গরিবদের ‘মাসিহা’ও বটে।

 

;