২০১১ সালের ২ এপ্রিল। ৯ বছর আগে ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। প্রতিবছর এই দিনে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসেন ২০১১ সালের  ভরতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্যরা। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু বাধ সাধল বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য গৌতম গম্ভীরের একটি ট্যুইট। ঘটনার সূত্র পাত একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের করা ট্যুইটকে কেন্দ্র করে। ট্যুইটে ধোনির ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করার ছবি দিয়ে ক্রিকেট ওয়েবসাইটটির তরফে লেখা হয়, “২০১১ সালের আজকের দিনে একটা শট লক্ষ লক্ষ মানুষকে উচ্ছ্বসিত করেছিল।” 

 

 

 

আরও পড়ুনঃ২০১১ সালে আজকের দিনে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ধোনির টিম ইন্ডিয়া, আজও অমলিন সেই স্মৃতি

ক্রিকেট ওসেবসাইটের ট্যুইটটিকে মেনে নিতে পারেননি ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতীয় দলের সর্বোচ্চ রান করা ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর। পাল্টা ভারতীয় দলের প্রাক্তন বাঁ-হাতি ওপেনার লেখেন,  “২০১১ বিশ্বকাপ জেতার পিছনে গোটা দেশ, ভারতীয় দল এবং সাপোর্ট স্টাফের ভূমিকা ছিল। একটা ছক্কা তোমাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে।” ২০১১ সালের ফাইনালে ২৭৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সচিন তেন্ডুলকর ও বীরেন্দ্র সেওয়াগের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। প্রচন্ড চাপের মধ্যে অনবদ্য ইনিংস খেলে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরান গম্ভীর।  বিরাট কোহালির সঙ্গে ৮৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। কোহালি আউট হওয়ার পরে মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে উপরের দিকে তুলে আনেন। ধোনি ও গম্ভীর ১০৯ রান জোড়েন। গম্ভীর অবশ্য দলকে জিতিয়ে ফিরতে পারেননি। ব্যক্তিগত ৯৭ রানে গম্ভীর আউট হন। বাকি কাজ সারেন ধোনি। তিনি ৯১ রানে অপরাজিত থেকে যান। ম্যাচে যখন ১১ বলে ৪ রান দরকার তখন কুলাশেকারেকে ছয় মেরে খেলা শেষ করেন ধোনি। সেই ছয়টিই আইকন হয়ে থেকে গিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে। কিন্তু সেই ছয়টির জন্যই ভারত বিশ্বকাপ জিতেছে তা মানতে নারাজ গম্ভীর।

 

 

গম্ভীরের পাল্টা ট্যুইটের পর সোশাল মিডিয়য় ঝড় ওঠে। অনেকেই সমালোচনা করেন গোতির মন্তব্যের। অনেকে আবার গম্ভীরের হয়ে ব্যাটও ধরেছে। তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে বিশ্ব জয়ের ৯ বছর পর কোনও বিতর্কে না গিয়ে, এই দিনটিকে স্মৃতির মণিকোঠায় রাখা উচিত ও ভালভাবে স্মরণ করা উচিত।

আরও পড়ুনঃপ্রধানমন্ত্রীর তহবিলে সাহায্যের জন্য সকল ক্রীড়াবিদদের ধন্যাবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদী

আরও পড়ুনঃকরোনা মোকাবিলায় ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিল সর্ব ভারতীয় ফুটবল সংস্থা