এতদিন বিরাট কোহলির সঙ্গে তুলনা চলত অস্ট্রেলিয়া স্টিভ স্মিথ, নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন, ইংল্যান্ডের জো রুটের। এই চার ব্যাটসম্যানকেই আধুনিক ক্রিকেটের ফ্যাভ ফোর তকমাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি বিরাট কোহলির সঙ্গে তুলনা শুরু হয়েছে পাকিস্তানের একদিনের দলের অধিনায়ক বাবর আজমের। ইংল্যান্ডের স্পিনার আদিল রশিদ তো দুই ক্রিকেটারের সাম্প্রতিক ফর্মের নিরিখে এগিয়েও রেখেছেন আজমকে। প্রাক্তন পাক পেসার শোয়েব আখতার বিরাটকে প্রাপ্য সম্মান দিলেও বলেছেন ভবিষ্যতে বিরাটের মতই অনেক রেকর্ড ভাঙবেন বাবর আজম। বিরাটকে ছোঁয়াই বাবরের লক্ষ্য।

আরও পড়ুনঃকরোনা মুক্ত নিউজিল্যান্ড, কিউইদের দেশ হতে পারে টেস্ট ক্রিকেটের নয়া নিরেপক্ষ ভেন্যু

দুই ক্রিকেটারকে নিয়ে তুলনা চললেনও এনিয়ে এখনও কোনও মুখ খোলেননি ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তবে এবার এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন পাকিস্তাবনের একদিনের দলের অধিনায়ক বাবর আজম। বিরাট কোহলির থেকে তিনি অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। অনেক জুনিয়রও বিরাটের থেকে। তবে তিনি বিরাট কোহলির মত হতে চান বলে জানিয়েছেন বাবর। পাক অধিনায়ক বলেছেন,'বিরাট কোহালি সেরা ক্রিকেটারদের মধ্যে পড়ে। আমি অনেক পিছিয়ে। অনেক কিছু অর্জন করতে হবে আমাকে। কোহালির মতো ক্রিকেটার হয়ে ওঠার চেষ্টা করব। পাকিস্তানকে জেতানো, রেকর্ড গড়ার চেষ্টা করব।'

আরও পড়ুনঃসৌরভের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শোয়েব,বললেন এমন সাহসী ক্রিকেটার দেখিনি

আরও পড়ুনঃগতির দুনিয়ায় ঝড় তোলা ছেড়ে নামী পর্ণ স্টার,জানুন রেনে গার্সির কাহিনি

একটি ক্রিকেট ওয়েব সাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাবর আজম এও জানিয়েছেন তিনি বিরাট কোহলির কভার ড্রাইভের ভক্ত। এছড়াও অন্যান্য শটে তার পছন্দের মাস্টারদের বাছতে গিয়ে বাবর ব্যাকফুট পাঞ্চে কেন উইলিয়ামসন, ফ্লিকে রোহিত শর্মা, স্ট্রেট ড্রাইভে স্টিভ স্মিথ, হুক বা পুলে এবি ডি ভিলিয়ার্সের কথা বলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ৮৬ টি টেস্ট, ২৪৮টি ওডিআই, ৮২টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। টেস্টে বিরাটের সংগ্রহ ৭২৪০, ওডিআইতে ১১৮৬৭, টি-২০-তে ২৭৯৪। গড় যথাক্রমে ৫৩, ৫৯ ও ৫০। আন্তর্দাতিক ক্রিকেটে বিরাটে সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭০। সেখানে এখনও পর্যন্ত বাবর আজম খেলেছেন ২৬ টেস্ট, ৭৪ ওয়ানডে, ৩৮ টি-টোয়েন্টি। এই তিন ফরম্যাটে তাঁর গড় যথাক্রমে ৪৫.১২, ৫৪.১৭ ও ৫০.৭২। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও পর্যন্ত তিনি করেছেন ১৬ সেঞ্চুরি। ফলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও বলছেন এখনও বিরাটের সঙ্গে বাবরের তুলনার সময়ই আসেনি।