লকডাউনে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিড স্টার শোয়েব আখতার। এবার বীরেন্দ্র সেওয়াগকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রাওয়াল পিন্ডি এক্সপ্রেস। তার মতে, পাকিস্তানি ক্রিকেটার ইমরান নাজির প্রতিভার দিক থেকে সেওয়াগের তেকে অনেক এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু ক্রিকেটীয় বুদ্ধি সেওয়াগের থেকে কম থাকায় তার ইমরান নাজিরের কেরিয়ার লম্বা হয়নি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও ইমরান বনাজিরকে কোনওরকম সহযোগিতা করেননি বলে অভিযোগ করেছেন শোয়েব আখতার। 

আরও পড়ুনঃঅস্ট্রেলিয়ার স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর নিয়ে কোনও আশা দেখছেন না ডেভিড ওয়ার্নার

প্রাক্তন পাক তারকা বলেছেন, “আমার মনে হয় না সহবাগের মতো মস্তিষ্ক ছিল ইমরান নাজিরের। আবার নাজিরের মতো প্রতিভা ছিল না সহবাগের। প্রতিভার দিক দিয়ে কোনও তুলনাই হয় না। কিন্তু আমরাই ওকে আটকে রাখার চেষ্টা করেছিলাম। এক বার সাইড ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী সেঞ্চুরির পর নাজিরকে নিয়মিত খেলাতে বলেছিলাম। কিন্তু ওরা তা শোনেনি।” নাজিরের পিছিয়ে পড়ার কারণ হিসেবে পাকিস্তানের ক্রিকেট প্রশাসনকে দায়ী করেছেন শোয়েব। তিনি বলেছেন, “দুর্ভাগ্যের হল, আমরা প্রতিভাকে লালন করতে পারি না। আমরা সহবাগের চেয়েও ভাল ক্রিকেটার পেতে পারতাম নাজিরের মাধ্যমে। ওর হাতে সব ধরনের শট ছিল। তার সঙ্গে ও ভাল ফিল্ডারও ছিল। আমরা ওকে দারুণ ভাবে ব্যবহার করতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি।”ইমরান নাজিরের কেরিয়ারে জাভেদ মিয়াঁদাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন শোয়েব। তিনি বলেছেন, “যখনই নাজির ভাল খেলেছে, তা হয়েছে মিয়াঁদাদের কারণে। মিয়াঁদাদ সব সময় নাজিরকে খেলাতে বলেছে। খারাপ শট খেললে জাভেদ ভাই আবার ওকে মেসেজ পাঠিয়েছে। যাতে ফোকাস ঠিক থাকে।”

আরও পড়ুনঃবলিউড অভিনেতা ইরফান খানের মৃত্য়ুতে শোকস্তব্ধ ক্রীড়া জগৎও

আরও পড়ুনঃহিন্দি গান গাইছেন রাসেল,তাল দিচ্ছেন কার্তিক, ভাইরাল ভিডিও

যদিও আখতারের এই যুক্তি হাস্যকর বলে মনে করছেন নেটিজনরা। ইমরান নাজির তিন ফরম্যাট মিলিয়ে পাকিস্তানের হয়ে মোটে ১১২টি ম্যাচ খেলেছেন। মোট রান ৪ হাজারেরও কম। তাঁর সঙ্গে কিনা এমন একজনের তুলনা করা হচ্ছে, বীরেন্দ্র সহবাগ ১০৪ টেস্টে করেন ৮৫৮৬ রান। এক দিনের ক্রিকেটে ২৫১ ম্যাচে তিনি করেন ৮২৭৩ রান। টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৭ হাজারের বেশি রানের মালিক। ফলে ইমরান নাজিরের সঙ্গে কোন ক্রিকেটীয় বুদ্ধি থেকে সেওয়াগের তুলনা করলেন আখতার তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।