দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলাদেশের থেকে ৩৪৩ রানে এগিয়ে ছিল ভারত। সবাই ভেবেছিলেন তৃতীয় দিন অন্তন প্রথম সেশনটা ব্যাটিং করবে ভারত। কিন্তু কোহলির মাথায় অন্যকিছু ছিল। তাই তৃতীয় দিনের শুরুতেই  ইনিংস ডিক্লেয়ার করে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠিয়ে দিলেন বিরাট। তারপর যা হওয়ার তাই হল। একের পর এক উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বুঝিয়ে দিল ভারতীয় পেস আক্রমণকে সামলানোর ক্ষমতা তাদের নেই। তৃতীয় দিন শেষ হওয়ার আগেই টাইগারদের ইনিংস ও ১৩০ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল কোহলির দল।

 

আরও পড়ুন - ১৬ নভেম্বর ২০১৩, মনে আছে ছয় বছর আগের দিনটি

প্রথম ইনিংসের মত বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় পেসাররা আগুন ঝড়ালেন। টাইগারদের সাত উইকেট নিলেন ভারতীয় পেসাররা। চার উইকেট নিলেন সামি। দুটি উইকেট উমেশের। একটি উইকেট নিলেন ইশান্ত। অশ্বিনের ঝুলিতে দুই উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে মুসফিকুর কিছুটা চেষ্টা করলেও সেটা যথেষ্ট ছিল না। এপার বাংলার সামি ওপার বাংলার ব্যাটিংয়ের কোমরটাই ভেঙে দিলেন সামি। বাংলার পেসারের বোলিং মজে আছেন ইশান্ত  ও উমেশও।

আরও পড়ুন - ২০ মাসেই মোহভঙ্গ, সভাপতি পদকে গুডবাই জানালেন রজত শর্মা

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে অতীতের অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজেকে মনে করাচ্ছে বর্তমান ভারতীয় দল। এদিকে অধিনায়ক বিরাট একটা নতুন কৃতিত্ব অর্জন করলেন অধিনায়ক হিসেবে। ভারত অধিনায়কদের মধ্যে সব থেকে বেশি ইনংসে টেস্ট জয়ের রেকর্ড এখন কোহলির পকেটে। অধিনায়ক হিসেবে ১০টি টেস্ট ইনিংসে জিতলেন বিরাট। একই সঙ্গে টানা তিনটি টেস্ট ইনিংসে জিতে নিল ভারতীয় দল। বাংলাদেশকে ইনিংস ও ১৩০ রানে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩০০ পয়েন্ট টিম ইন্ডিয়ার। প্রথম টেস্টে দাপুটে জয়ের পর এবার সবার ফোকাস ইডেনের পিঙ্ক বল টেস্টে। 

আরও পড়ুন - শেষ হল আইপিএল- এর দলবদল, এরপর ডিসেম্বরে আসছে 'নিলাম কলকাতা'