রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের রং বদলে দেয় বিরাট কোহলি-হার্দিক পান্ডিয়া জুটি। দল জেতার পর আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না হার্দিক। বিরাটকে দিলেন বিশেষ বার্তা।

২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারানোর পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভারতীয় দল। পাকিস্তানের ৪ উইকেটে ৩৩৮ রানের জবাবে মাত্র ১৫৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। পাকিস্তান ১৮০ রানে জয় পায়। রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচেও সেই আতঙ্কের স্মৃতি ফিরে এসেছিল। ১৬০ রানের টার্গেট খুব বড় নয়। বিশেষ করে যখন টি-২০ ম্যাচে প্রায়ই ২০০ রান হচ্ছে। কিন্তু ভারতীয় দল ৩১ রানের মধ্যে ৪ উইকেট খুইয়ে বসায় হারের আশঙ্কা চেপে বসেছিল। সেই পরিস্থিতি বদলে দেয় বিরাট কোহলি-হার্দিক পান্ডিয়া জুটি। এই জুটির জন্যই অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। ম্যাচ জয়ের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি হার্দিক। বিরাটকে তিনি বলেন, “আমি সেই সময় তোমার জন্য গুলি খেতেও রাজি ছিলাম। তুমি আউট হয়ে যাও, এটা কোনওভাবেই হতে দিতে পারতাম না। আমার লক্ষ্য খুব সহজ। তোমার কাজ যাতে সহজ হয়ে যায়, তার জন্য যা করা দরকার আমি করব। তুমি বহুবার দলকে জিতিয়েছো। কেউ তোমার চেয়ে ভালভাবে চাপ সামাল দিতে পারে না।”

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


বিরাটের সঙ্গে পার্টনারশিপ প্রসঙ্গে হার্দিক বলেছেন, “আমাদের ইনিংসের ১৯ ওভারে হ্যারিস রউফের বলে বিরাট যে দুটো শট খেলেছে, সেগুলো কতটা জরুরি ছিল আমি জানি। বিরাট যদি একটা শটও না মারতে পারত, তাহলে ওরা আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকত। আমি অনেক ছক্কা মেরেছি, কিন্তু ওই দুটো ছক্কা সত্যিই আলাদা। আমরা সেই সময় তেতে গিয়েছিলাম। সেই কারণে ছক্কাগুলো আমাদের দু'জনের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি বিরাটকে বলি, আমি অনেকদিন ধরে ক্রিকেট খেলছি, কিন্তু আমার মনে হয় না মিস্টার কোহলি ছাড়া অন্য কেউ ওই দুটো শট খেলতে পারত।”


হার্দিক আরও বলেছেন, “আমরা যখন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন একসঙ্গে লড়াই করছিলাম। সেটাই এই ম্যাচের সবচেয়ে ভাল দিক। আমরা যদি মাঠে নেমে দারুণ কিছু শট খেলে দলকে জেতাতাম, তাহলে সেই জয় এত আলাদা হত না। আমরা লড়াই করে জয় পেয়েছি বলেই এত ভাল লাগছে। ম্যাচ সত্যিই কঠিন হয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানের বোলাররা সত্যিই ভাল খেলেছে। আমাদের ড্রেসিংরুমে প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছিল। আমি সেটা বুঝতে পারছিলাম। বড় ম্যাচ হলেও, আমি কিন্তু চাপ অনুভব করিনি। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাই খেলেছি।”

আরও পড়ুন-

আমরা বাজি ফাটাচ্ছি আর তোমরা টিভি ভাঙছো! পাকিস্তানিদের খোঁচা সেহবাগের

নায়কের প্রত্যাবর্তন,বিরাট-আবেগ ছুঁয়ে গেল গোটা দলকে

এটাই তোমার জীবনের সেরা ইনিংস, বিরাটের প্রশংসায় সচিন