রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ানের ওপেনিং জুটিকে ভারতীয় টি-২০ ক্রিকেটর অন্যতম সেরা জুটি বলা হয়। রাজকোটে আরও একটা সেঞ্চুরি পার্টানশিপ এল দুই ভারতীয় ওপেনারের ব্যাট থেকে। তবে এই পার্টনারশিপকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রোহিত। শিখরের কাজ ছিল শুধু হিটম্যানকে স্ট্রাইক দিয়ে যাওয়া। তাই ঘরের মাঠে দিল্লিতে ৪১ রান করলেও রাজকোটে গব্বর তেমন দাপট দেখাতে পারেননি। কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলাটাই একজন ক্রিকেটারের সব থেকে বড় দায়িত্ব। যা পালন করেছেন গব্বর। ম্যাচ শেষে রাজকোট স্টেডিয়াম থেকেই সমর্থদের সঙ্গে নিয়ে ভিডিও তুললেন ধাওয়ান।

আরও পড়ুন - পেশী শক্তির প্রয়োজন হয় না, রাজকোটে ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড গড়ে বলছেন হিটম্যান

ড্রেসিংরুমের ওপর তিনি, সঙ্গে ডেকে নিলেন ক্রুণাল পান্ডিয়াকেও। আর নিচে দাঁড়িয়ে প্রচুর সমর্থক। টিম ইন্ডিয়ার জন্য দেশের জনতার এই আবেগকে কুর্নিশ শিখরের। ভিডিও পোস্ট কের তিনি লেখেন, ‘একটা ভাল ম্যাচের পর সবার মুখেই খুশির ঝলক। আপনাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। রোহিত শর্মাকে কুর্নিশ। টিম ইন্ডিয়া এবার অরেঞ্জ সিটির পথে। সিরিজ এখন ১-১। নাগপুরেই হবে ফয়সালা। দিল্লিতে প্রথম ম্যাচ জিতে ভারতকে চাপে ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু রাজকোটে ভারতীয় ব্যাটিং যে রুদ্রমূর্তি ধারন করেছিল তাতে চাপ এখন বাংলাদেশ শিবিরের ওপর। 

আরও পড়ুন - দিন রাতের টেস্টে ইডেন বেল বাজাবেন কে, দাবার ছক সৌরভের মাথায়

নাগপুরে মাঠে নামার আগে একটা বিষয় নিয়ে ভাবতেই হবে রবি শাস্ত্রী ও রোহিত শর্মাকে। সেটা খালিল অহামেদের বোলিং পারফরম্যান্স। দিল্লি ম্যাচে মুসফিকের কাছে টানা চার বলে টারটি চার রান খেয়েছিলেন খলিল। বৃহস্পতিবার শুরুতেই টানা তিন বলে চার খেলেন। দুই ম্যাচ মিলিয়ে টানা সাত বলে সাতটি চার। রাজকোটে চার ওভারে ৪৪ রান দেন খলিল। এখন মানসিক ভাবে চাপে রয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় সিরিজ নির্নায়ক ম্যাচে তাঁকে খেলানোটা কি ঠিক হবে? এই প্রশ্নটাই তুলছেন অনেকে। যদিও টিম ইন্ডিয়া এখনই এ নিয়ে কিছু বলতে চাইছে না। নাগপুরের পিচ দেখেই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন রোহিতরা। 

আরও পড়ুন - নিজের বিয়ের রাতেও সঙ্গী ক্রিকেট, পাক সমর্থকের ছবি ভাইরাল করল আইসিসি