বছর পাঁচেক আগেও ভারতীয় ক্রিকেট নির্ভর করত স্পিন বোলিংয়ের ওপর। ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষকে ঘূর্ণি উইকেটে কাহিল করত ভারতীয় দল। কিন্তু এখন সেই হিসেব উল্টে গেছে। বিদেশের মাঠে ভারতীয় স্পিড স্টাররা কামাল দেখাচ্ছেন। আর ঘরের মাঠেও স্পিনারদের ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছেন সামি-উমেশ-ইশান্তরা। আর এমন একটা দুরন্ত বোলিং আক্রমণ নিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটা রাজত্ব করছে ভারতীয় দল। প্রতিপক্ষ কে সেটা দেখারও প্রয়োজন মনে করছে না বিরাটের দল। নিজেরে কাজ করছেন তারা আর একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ভারতীয় দলের এই পরিবেশটাই সব থেকে তৃপ্ত করে অধিনায়ক বিরাটকে। 

 

 

আরও পড়ুন - এপার বাংলার আগুনে ঝলসে গেল ওপার বাংলার ব্যাটিং, বাংলাদেশকে ইনিংসে হারাল ভারত

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইন্দোরে প্রথম টেস্ট জয়ের পর বিরাটের সামনে প্রশ্ন ছিল অস্ট্রেলিয়ার দলের রেকর্ড নিয়ে। বিরাট একটা কথা বলে দিলেন, রেকর্ড নিয়ে তিনি বা তাঁর দলের কোনও মাথা ব্যথা নেই। তবে বরাটের গলা থেকে দুশ্চিন্তা বেড়িয়ে পরল। সেটা অবশ্য নিজের দলের জন্য নয়। সামি-উমেশ-ইশান্তে প্রতিপক্ষের এই অবস্থা। এরপর বুমরা এলে কী হবে? কোহলি যেন বেলতে চাইছেন, এরপর বুমরা দলে এলে প্রতিপক্ষের ব্যাটসমানরা সেটা সামলাতে পারবে তো? কোহলির চিন্তা অবশ্য স্বাভাবিক। তিন পেসার দাপুটে বোলিং করছেন, দেলর বাইরে যেমন বুমরা আছেন, তেমনই আছেন ভুবনেশ্বর। কোহলির স্পষ্ট কথা বছর চার পাঁচেক আগে ভারতীয় পেস বোলিংকে নিয়ে যা পরিকল্পনা তাঁরা করেছিলেন সেটা সফল। 

আরও পড়ুন - ২২ গজে বিস্ফোরণ সামির, ভারতীয় পেসারে মুগ্ধ ক্রিকেট বিশ্ব

ইন্দোরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রান করতে পারেননি। খাতা খোলার আগেই প্যাভেলিয়ানের রাস্তা দেখতে হয়েছে ভারত অধিনয়াককে। কিন্তু শনিবার বিকেলে যখন টেস্ট শেষ হল তখন বিরাটের রেকর্ডের ঝুলিতে আরও একটা পদক। ভারত অধিনায়ক হিসেবে সব থেকে বেশিবার প্রতিপক্ষকে ইনিংসে হারানোর রেকর্ড গড়লেন তিনি। বিরাটের নেতৃত্বে দশবার প্রতিপক্ষকে ইনিংসে হারিয়েছে ভারত। এই দশের মধ্যে শেষ তিনটি ম্যাচও আছে। কারণ টানা তিনটি ম্যাচ ইনিংসে জিতল টিম ইন্ডিয়া। বিরাট এখন সুখী অধিনায়ক। 

আরও পড়ুন - ১৬ নভেম্বর ২০১৩, মনে আছে ছয় বছর আগের দিনটি