করোনা ভাইরাসের প্রকোপে দেশ জুড়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। যার ফলে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আতঙ্কিত ভারতীয় ক্রিকেটাররাও। লকডাউনে পরিবারের সঙ্গেই ঘরবন্দি অবস্থায় জীবন কাটাচ্ছেন সকলেই। একইভাবে দিল্লির এনসিআর এলাকায় নিজের বাড়িতেদিন কাটাচ্ছেন প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগ। করোনা আক্রান্ত ও পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন ভারত ওপেনার। কিন্তু কিন্তু করোনা আতঙ্কের মধ্যেই যে কার বাড়িতে এমন ভয়ঙ্কর হামলা হতে চলেছে তা আন্দাজও করতে পারেননি বীরু।

আরও পড়ুনঃভারতীয় ক্রিকেটে নেই নেপোটিজম,তাহলে অর্জুন ও রোহনরা সুযোগ পেত,মত আকাশ চোপড়ার

পঙ্গপালের উৎপাতে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাবের কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবার দিল্লি-এনসিআর এলাকাতেও পঙ্গপালের উৎপাতে অতিষ্ঠ মানুষ। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পঙ্গপালের হানার জন্য হাই অ্যালার্ট জারি করেছে কেজরিওয়াল সরকার। দিল্লি বিমান বন্দরের কাছাকাছি গুরুগ্রাম-দোয়ারকা এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপালের দেখা মিলেছে। এবার বীরেন্দ্র সেওয়াগের বাড়িতেও হামলা চালায় পঙ্গপালের দল। সেই মুহূর্তের  ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন বীরু। পঙ্গপালের হমালায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেওয়াগের পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুনঃকরোনা আবহেই সুখবর, শিখর ধাওয়ানের পরিবারে এল নতুন অতিথি

আরও পড়ুনঃপ্রিয় দলের জন্য পণ,১৭ বছর পর চুল কাটলেন লিভারপুল সমর্থক

সেওয়াগের শেয়ার করে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, দল বেঁধে ধেয়ে আসছে পঙ্গপালের দল। আর তার সঙ্গেই মানুষজন কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে পঙ্গপাল তাড়ানোর ব্যবস্থা শুরু করে দিয়েছেন, ভিডিয়োতে সেই শব্দও শোনা যাচ্ছে স্পষ্টতই। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে বাসিন্দাদের ঘরের সমস্ত দরজা-জানালা সব বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। না হলে পঙ্গপালের দল ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়বে। পাশাপাশি সম্ভব হলে গাছ প্লাস্টিকের চাদরে ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে। রাতে পঙ্গপালরা উড়তে পারে না। ফলে এই সময় ঘরে ব্যবহৃত কীটনাশক পঙ্গপালদের উপরে স্প্রে করে তাদের ধ্বংস করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে। একে করোনা তার উপর দোসর হয়েছে পঙ্গপাল।  আতঙ্কে জবুথবু বীরেন্দ্র সেওয়াগও।