২২ তারিখ থেকে  কলকাতায় ঐতিহাসিক পিঙ্ক বল টেস্ট। বুধবার সকাল থেকে শহরে এসে পৌছাতে শুরু করেছেন ভারত ও বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। ইন্দোরেই পিঙ্ক টেস্টের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল দুই দল। সিএবি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে ম্যাচের প্রথম তিন দিনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। বিরাটরা ভর্তি গ্যালারির সামনেই খেলবে এই ঐতিহাসিক টেস্ট। প্রথম তিন দিনই ৬০ থেকে ৬৫ হাজার দর্শক ক্রিকেটের নন্দন কাননে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। 

দেখুন ভিডিও - কোথাও আনন্দ কোথাও হতাশা, পিঙ্ক বল টেস্টের আগে ময়দানে মিশ্র অনুভূতি

মহারাজ বা সিএবির হিসেব যে একেবারেই ভুল নয় সেটা বোঝা যাচ্ছে ময়দানের বর্তমান ছবিটা দেখলেই। বাংলার ক্রিকেট প্রেমীরা এখন দুই ভাগে বিভক্ত। একদল যারা অন লাইটে টিকিট কেটেছেন। অন্য দল যারা এখনও অফ লাইন টিকিটের আশায় ময়দানে উপস্থিত হচ্ছেন। যারা অন লাইনেট টিকিটি কেটেছেন তারা ইডেনের ১৪ নম্বর গেট থেকে নিজেদের ম্যাচ টিকিট তুলছেন। ঐতিহাসেক ম্যাচে ইডেনে তাদের উপস্থিতি পাকা। তাই মুখে চওড়া হাসি নিয়েই ইডেন চত্ত্বরে পাওয়া যাচ্ছে তাদের। ১৪ নম্বর গেটের বাইরে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় দলের জার্সিও। 

আরও দেখুন- শহরে পা রাখলেন বিরাটরা, ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে কলকাতা

তবে ইডেনে থেকে রেড রোডের ধারে মহমেডান তাঁবুর দিকে গেলেই ছবিটা সম্পুর্ণ বদলে যাচ্ছে। ইডেন চত্ত্বরে যেখানে উন্মাদনা, আনন্দ, সেখানে মহমেডান ক্লাবের বাইরের ছবি হতাশার। কারণ সেখানে বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রিকেট প্রেমীরা অফ লাইন টিকিটের আশা উপস্থিত হয়েছেন। কিন্তু অফ লাইন টিকিট বিক্রি নিয়ে কোনও আশার কথা শোনাতে পারছেন না কেউ। ভোর থেকে লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছেন অনেকেই, যদি ঐতিহাসিক ম্যাচের টিকিট পাওয়া যায়, কিন্তু এখন তাদের মুখে হাসি ফোটার মত কোনও খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে খালি হাতেই বাড়ি ফেরতে হচ্ছে অফ লাইট টিকিটের আশায় ময়দানে উপস্থিত হওয়া জনতাকে। 

আরও পড়ুন - আদর্শ সামি, তাঁর পরামর্শেই গোলাপি বল হাতে মাঠে নামবেন বাংলাদেশ পেসার আবু জায়েদ