ধোনির হাতে ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব যাওয়ার পর থেকেই আর পেছনের দিকে তাকাতে হয়নি নির্বাচকদের। ধোনির অধিনায়কত্বকে ভারতীয় ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ বলেই আখ্যা দেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু ধোনির পর কে? তা নিয়ে একটু চিন্তিত ছিলেন নির্বাচক থেকে দেশবাসী। তারপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুরু হল বিরাট যুগ। একের পর এক ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলে নিজেকে প্রমাণ করলেন বিরাট। একইসঙ্গে হয়ে ওঠেন ধোনির যোগ্য উত্তরসুরী। কিন্তু রাতারাতি ব্যাটসম্যান বিরাট অধিনায়ক বিরাট হয়ে ওঠেননি। এর পেছনে রয়েছে  ধোনিকে কাছ থেকে দেখা, শিক্ষাগ্রহণ এবং আস্থা অর্জনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লকডাউনে ভারতীয় দলের অন্যতম সতীর্থ রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে লাইভ চ্যাটে আড্ডা দেওয়ার সময় এই কথা বলেন বিরাট কোহলি।

আরও পড়ুনঃআরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে ক্রিকেট,৬-৭ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে জনজীবন,মন্তব্য সৌরভের

অশ্বিনের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় অধিনায়ক হিসেবে উঠে আসার প্রসঙ্গ সম্পর্কে বলতে গিয়ে কোহলি বলেন, ধোনির খুব কাছে থাকতে পারাটাই অধিনায়ক হিসেবে উত্তরণের বড় কারণ। টানা ছ-সাত বছর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিহ ধোনিকে পর্যবেক্ষণ করেছি। এর ফলে অনেক কিছু শিখেছি। যা চোখে পড়েছিল অনেকেরই। আগের অধিনায়ক অনেক দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিত। হআমার অধিনায়ক হওয়ার পিছনে তাঁরও অনেক ভূমিকা রয়েছে। আর এই বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছিল টানা ছ-সাত বছরে। রাতারাতি একেবারেই নয়। সাময়িক দায়িত্ব পেয়ে তাতে সাফল্য পাওয়াটাও অধিনায়ক হওয়ার অন্যতম কারণ'।

আরও পড়ুনঃনেই কোনও সংক্রমণ, লিগ শুরুর আগে স্বস্তিতে ইপিএলে-র ক্লাবগুলি

আরও পড়ুনঃবায়ার্নের বিরুদ্ধে হার অতীত,জয়ে ফিরতে মরিয়া বরুশিয়া ডর্টমুন্ড

এছাড়াও অশ্বিনকে কোহলি জানিয়েছেন,'প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে ধোনির মগজাস্ত্র বোঝার চেষ্টা করতাম অনবরত। ফলে খেলার মাঝে অধিনায়কের সঙ্গে মত বিনিময়ের দরজাটাও খুলে গিয়েছিল। কারণ, তখন আগের অধিনায়কের কানের কাছেই থাকতাম আমি।অধিনায়কের পাশে দাঁড়িয়ে আমি বলেই যেতাম, এটা করতে পারতে, ওটা করতে পারতে। কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে কী ভাবছি, এসব। কিছু মত বাতিল হত। কিন্তু অনেক বিষয়ই আলোচনা হত। ফলে আমার প্রতি ধোনির আস্থাটা তৈরি হয়েছিল যে, ওর পরে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব সামলাতে পারব।' ধোনির প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার,ধোনি সম্পর্কে বিরাটের ভাবনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই কোহলির প্রতি শ্রদ্ধা আরও বেড়ে গিয়েছে নেটাগরিকদের।