আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ২০০৫ সালে। ম্যাচ খেলেছেন ২২৬টি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭- আট বছর টিম ক্যাপ্টেন। ওয়ান ডে ম্যাচে ১০০ উইকেটের মালকিন। ১২০টি ওয়ানডে ম্যাচে মোট ১৫১টি উইকেট। গড় ২৪.২৭। ১০৬টি টি-২০ ম্যাচ খেলে ৮৯ উইকেটের অধিকারী। একদিনের আন্তর্জাতিকে ৭২টি ম্যাচে পাকিস্তানের হয়ে ক্যাপ্টেনসি। ২৬ ম্যাচে জয়, পরাজয় ৪৫ ম্যাচে। ২০১০ ও ২০১৪ সালে অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানকে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে সোনা জিতিয়েছেন। বিশ্বের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে এক হাজার রান সংগ্রহের পাশাপাশি একশ উইকেট শিকারের ইতিহাস গড়েন তিনি। মাত্র ১৫ বছরের ক্রিকেট জীবনে এই চোখ ধাঁধানো পরিসংখ্যান পাকিস্তানের মহিলা ক্রিকেট টিমের অলরাউন্ডার সানা মিরের। অবশেষে বিবৃতি জারি করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করেন ৩৪ বছরের এই ক্রিকেটার।

আরও পড়ুনঃভিভ রিচার্ডস ও ধোনিই কপিল দেবের নতুন লুকের অনুপ্রেরণা

দাপুটে এই অলরাউন্ডার লিখছেন, "১৫ বছর ধরে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডকে অনেক ধন্যবাদ। এটা আমার জীবনে প্রাপ্তি। সত্যিই খুব গর্বের এবং সম্মানেরও। দলের সমস্ত সহকর্মীদের, প্লেয়ারদের, গ্রাউন্ড স্টাফ থেকে শুরু করে আমার এই ক্রিকেট জীবনে যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে অসংখ্য ধন্যবাদ।" পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেট দলকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছন সানা মির। বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘আমার পরিবার আর মেন্টররাও আমায় খ্যাতির শিখরে পৌঁছতে দিন রাত কঠিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। ঋণী রইলাম তাঁদের কাছেও।’

আরও পড়ুনঃসময়ের আগেই চুক্তি শেষ করতে চলেছে কোয়েস, ইষ্টবেঙ্গলের স্পনসরহীন হওয়া সময়ের অপেক্ষা

আরও পড়ুনঃকরোনা মোকাবিলায় নিজের শেষ টেস্টের জার্সি,ব্যাট, স্টাম্প নিলামে তুলছেন অ্যান্ডারসন

পাকিস্তানের নারী দলের এ তারকা ক্রিকেটারের অবসর প্রসঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খান বলেছেন, সে বহু বছর ধরে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের উজ্জ্বল মুখ ছিল। সানা নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে সত্যিকারের কিংবদন্তি। আগামীর তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তার বিদায় সত্যিই হতাশার। আমরা একজন অলরাউন্ডারকে হারালাম।