অনেক ভাগ্য করে রূপ পেয়েছিলেন ক্রিকেট ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরের। চেহারার অদ্ভুত মিল। হাঁটাচলা থেকে কথা বলা, উচ্চতা থেকে মাথার চুল, সবেতেই মাস্টার ব্লাস্টারের ছোঁয়া। এই রূপই খ্যাতি ও রুটি রুজি দিয়েছিল পঞ্জাবের সাহলোঁ গ্রামের বাসিন্দা বলবীর চাঁদকে। এই রূপের কারণেই সুযোগ পেয়েছেন টিভির পর্দায়। মুখোমুখি হয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টারেরও। এক সঙ্গে বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন সচিনের সঙ্গে।  মুম্বইয়ের একটি ফাস্ট ফুড চেনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডরও হন বলবীর। স্বপ্নপূরণ হয়েছে অটোগ্রাফ দেওয়ারও। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল কিন্তু বাধ সাধল সেই করোনা ভাইরাস।

আরও পড়ুনঃসৌরভকে সরিয়ে কেকেআরের অধিনায়ক হয়েছিলেন গম্ভীর,সেদিন ঠিক কী বলেছিলেন শাহরুখ খান

করোনা ভাইরাসের জেরে মুম্বইতে চলছে লাগাতার লকডাউন। করোনা আক্রান্ত ও মৃতের নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। লাগাতার লকডাউনের জেরে চাকরি হারান বলবীর। চাকির হারিয়ে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কিন্তু বুঝতে পারেননি নিজের ও পরিবারের জন্য মারণ ভাইরাসকে নিয়ে ঘরে ফিরছেন তিনি। পঞ্জাবের গ্রামে ফিরে অসুস্থতা বোধ করায় করোনা পরীক্ষা করান বলবীর। রিপোর্ট পজেটিভ আসে বলবীরের।করোনায় আক্রান্ত হন তার স্ত্রী, সন্তানও। বর্তমানে বলবীরের অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল। তবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। বলবীরকে আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে অন্যত্র স্থানান্তরীত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃজন্মদিনে জেনে নিন মেসির এমন কিছু রেকর্ড, যা ভাঙা একপ্রকার অসম্ভব

আরও পড়ুনঃ৩৩ এ পা লিও মেসির, দেখে নিন এলএমটেনের কেরিয়ারের সেরা ১০ পারফরমেন্স

বছর পঞ্চাশের মাস্টার ব্লাস্টারের ছায়া জানিয়েছেন,'যে কোম্পানির তিনি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর ছিলেন, সেখানে অনেক কর্মীকেই ছেঁটে ফেলা হয়েছে। আমাকেও ওরা বলে দেয়, আপাতত আসতে হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডেকে নেওয়া হবে।তবে দেশের বাড়িতে এসেই করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আরও বিপাকে পড়ি। এখানেও কোনও কাজ করতে পারছি না।' একইসঙ্গে জানিয়েছেন,'সচিনজির মুখটাই আমাকে খ্যাতি দিয়েছে। তবে আমি লিখতে পারি, সুর দিতে পারি। আশা করি নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারব। আর করোনা পরবর্তী সময়ে আবার চাকরি ফিরে পাব। মানুষও আমার মুখটি দেখে আবার খুশি হবে।' তবে সচিন ভক্তের এমন পরিণতির কথা মাস্টার ব্লাস্টার জানেন কিনা তা এখনও অজানা। তবে সুস্থ হয়ে নিজের কাজে ফেরার পাশাপাশি ফের সচিন রূপেই মানুষকে মনোরঞ্জন করার বিষয়ে আশাবাদী বলবীর চাঁদ।