পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা সুপারস্টার শাহিদ আফ্রিদি এখনও লড়াই করছেন করোনা ভাইরাসের সঙ্গে। সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ওপেনার তৌফিক ওমর। এবার ফের করোনা ভাইরাসের প্রকোপ পাকিস্তান ক্রিকেটে। তবে এবার প্রাক্তন কোনও ক্রিকেটার নয়। পাকিস্তানের বর্তমান ক্রিকেট দলে থাবা বসাল মারণ ভাইরাস। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তিন ক্রিকেটার শাদাব খান, হ্যারিস রৌফ এবং হায়দার আলির শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ ধরা পড়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা পাক ক্রিকেট দলে।

আরও পড়ুনঃদক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে করোনার থাবা,আক্রান্ত একসঙ্গে ৭ জন

করোনা পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ড সফরের মধ্য দিয়ে ক্রিকেটে ফেরার কথা পাকিস্তানের। আগামী রবিবার ইংল্যান্ডের জন্য উড়ে যাওয়ার কথা ছিল গোটা দলের। তার আগে বাধ্যতামূলকভাবে সফরকারী গোটা দলের করনো ভাইরাস পরীক্ষা করাত হত। সেই নিয়মমাফিক রাওয়ালপিন্ডিতে করোনার পরীক্ষা হয়েছিল এই তিন ক্রিকেটারের। তারপরই তাদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। পিসিবির তরফে বলা হয়েছে,'করোনা আক্রান্ত হলে যে উপসর্গ দেখা যায়, তা এই তিন ক্রিকেটারের মধ্যে দেখা যায়নি। পিসিবি-র মেডিক্যাল প্যানেল এদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে এবং নিভৃতবাসে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।' আক্রান্তদের মধ্যে শাদাব খান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুবই পরিচিত নাম। আপাপতত সকলেই আইসোলেশনে রয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।

আরও পড়ুনঃরণদেব বসুকে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করলেন অশোক দিন্দা

আরও পড়ুনঃ'আইপিএল আমাকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল,আইপিএলেই নিজেকে প্রমাণ করতে চাই'

আক্রান্ত তিন ক্রিকেটারের ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজে মাঠে নামার কথা। আপাতত তিনজনকেই অবিলম্বে সেলফ কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে পিসিবি। স্কোয়াডের অন্যান্য ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফদের করাচি, লাহোর ও পেশওয়ারে করোনা টেস্ট করানো হয়েছে সোমবার। আশা করা যাচ্ছে মঙ্গলবারই তাঁদের রিপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে দলের তিন ক্রিকেটার যেখানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, বাকিরা সুরক্ষিত আছে তো? পিসিবির তরফ থেকে বলা হয়েছে,ইমাদ ওয়াসিম এবং উসমান শিনওয়ারির করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বাকিদের রিপোর্ট হাতে এলেই পরিস্থিতি বোঝা যাবে। তবে দলের অন্দরেই করোনা ভাইরাস ঢুকে পড়ায় খুবই আতঙ্কে রয়েছেন অন্যান্য সব পাক ক্রিকেটার,কোচ থেকে সাপোর্টিং স্টাফরা।