সভাপতির আসনে বসে সৌরভ, ভারতের মাটিতে দিন রাতের টেস্টের ভাবনা চিন্তা শুরু করবেন বলেই জানিয়েছেন। সেটাই হয়তো টেস্ট ম্যাচে দর্শদের উত্সাহ বাড়াতে সেটাই হয়তো প্রথম কার্ড হতে পারে মহারাজের। বড় শহরের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ছোট শহরেও টেস্ট ম্যাচ ছড়িয়ে দিয়েছে বিসিসিআই। কিন্তু তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। বিশাখাপত্তনম বা পুণেতে কার্য ফাঁকা গ্যালারিতেই খেলতে হয়েছে রোহিত-কোহলিদের। রাঁচীতেও ছবি বদলে যাওয়ার কোনও ইঙ্গিত নেই। টিকিট বিক্রির হার অন্তত সেই কথাই বলছে। 

আরও পড়ুন - রবি শাস্ত্রী নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সৌরভের কৌতুক মেশানো জবাব, ভাইরাল সেই উক্তি

ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে মোট দর্শক আসন ৩৯ হাজার। ম্যাচের প্রথম দুটি দিন শনি ও রবিবার হওয়ার আশা ছিল মাঠ কিছুটা হলেও ভরবে। কিন্তু টিকিট বিক্রি হয়েছে মাত্র দেড় হাজার। সাধারণ মানুষেও যাতে খেলা উপভোগ করতে পারেন তাই টিকিটের দামও রাখা হয়েছিল সাধ্যের মধ্যে। দিন পিছু টিকিটের দাম ছিল ২৫০ টাকা। কিন্তু তাতেও মুখ ফিরিয়ে থাকল রাঁচীর মানুষ। ঘরে বসে টিভিতে বা মোবাইলে খেলার দেখার আগ্রহ যে এখন সব থেকে বেশি। একদিনের ম্যাচ বা টি২০ হলে মানুষ মাঠে আসতে পছন্দ করেন। টেস্ট ম্যাচ এড়িয়ে চলাই যে এখন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

আরও পড়ুন - রেষারেষি নেই, আছে অসাধারণ বোঝাপড়া, পন্থের সঙ্গে সম্পর্কে নিয়ে বললেন ঋদ্ধি

মাঠ ভড়াতে এখন ফ্রি টিকিই এখন ভরসা ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কর্তাদের। পুলিশ কর্তাদের পাঁচ হাজার ও স্কুলের বাচ্চাদের জন্য দশ হাজার ফ্রি টিকিট দিয়েছেন কর্তারা। ২০১৭ সালের পর আবার টেস্ট ক্রিকেট আয়োজন করছে রাঁচী। কিন্তু এই অবস্থায় নাজেহাল তাঁরা। ঝাড়খন্ড ক্রিকেটের কর্তারা বলছেন, এরপর থেকে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার ভাবতে হবে তাঁদের। বিসিসিআইয়ের বোর্ড মিটিংয়ে এই নিয়ে টেস্ট ম্যাচকে কী ভাবে বাঁচিয়ে তোলা যায় তা নিয়ে কথা বলতে চান ঝাড়খন্ড বোর্ডের কর্তারা। 

আরও পড়ুন - পাকিস্তান দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরানো হল সরফরাজ আহমেদকে