করোনা ভাইরাসের থাবায় সব থেকে বশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফুটবল। ইউরোপের একাধিক দেশে কোভিড ১৯-এর দাপটে শুরু হয়েছিল মৃত্যু মিছিল। কিন্তু পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতেই ফুটবল শুরুর প্রক্রিয়া চলছে স্পেন, ইতালি, জার্মানি ও ইংল্যান্ডে। অনেকেই বলছে পুরোপুরি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি, তা সত্ত্বেও করোনার রক্তচক্ষুকে খানিক উপেক্ষা করেই ফুটবল ফিরছে একাধিক দেশে। কিন্তু কোনও প্রকার ঝুঁকি নিতে নারাজ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি। সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা ভেবে জোড়া বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার ইভেন্ট বাতিল ঘোষণা করল আইসিসি।

আরও পড়ুনঃপ্রথম ভারতীয় হিসেবে 'ফেড কাপ হার্ট' অ্যাওয়ার্ড পেলেন সানিয়া মির্জা, জিতলেন দেশবাসীর হৃদয়ও

জুলাই মাসে ২০২১ মহিলা বিশ্বকাপ এবং ২০২২ পুরুষ অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার রাউন্ড হওয়ার কথা ছিল। সকলেই ভেবে নিয়েছিল কোয়ালিফায়ার ইভেন্ট বাতিল করবে না আইসিসি। কিন্তু করোনা চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করল না আইসিসি। চলতি বছর ৩ জুলাই শ্রীলঙ্কায় মহিলা বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের আসর বসার কথা ছিল। শেষ হত ১৯ জুলাই। আয়োজক শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, পাপুয়া নিউগিনি, থাইল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবোয়ে- এই দশটি দলের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এদের মধ্যে তিনটি দল আগামী বছর বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করত। কিন্তু করোনা মহামারির জেরে বিশ বাঁও জলে কোয়ালিফায়ার ইভেন্ট। ইউরোপীয় দেশের জন্য আগামী ২৪-৩০ জুলাই জুনিয়র বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার ইভেন্ট হওয়ার কথা ছিল ডেনমার্কে। তাও স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।

 

 

আরও পড়ুনঃপয়লা জুন থেকে ফিরতে পারে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ,ইঙ্গিত ইংল্যান্ড সরকারের

আরও পড়ুনঃদরকার আর ৬ পয়েন্ট, ইতিহাস সৃষ্টির অপেক্ষায় লিভারপুল

বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা এদিন একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, যে সমস্ত দেশ কোয়ালিফায়ার পর্বে খেলত, তাদের সরকার ও স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনার পরই ইভেন্ট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইসিসি পুরুষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার পর্বও আপাতত হবে না। আইসিসির ইভেন্ট প্রধান ক্রিস বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বন্ধ আন্তর্জাতিক সফর। তাছাড়া কোচ, ক্রিকেটার, অন্যান্য স্টাফদের সুরক্ষাই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই জন্যই দুটি ইভেন্ট আমরা স্থগিত রেখেছি।” ভবিষ্যতে কবে হবে এই দুটি ইভেন্টা তা সম্পর্কে এখনও কোনও চিন্তা ভাবনা করেনি আইসিসি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সব দেশের সঙ্গে আলোচনার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্তে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে আইসিসির তরফে। জোড়া বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার ইভেন্ট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বলছেন, ফুটবলকে কিছুটা নিস্তার দিলেও করোনার থাবা অব্যাহত ক্রিকেটে।