দশমীর বিদায় বেলা, সাঙ্গ হল সিঁদুর খেলা, রাঙা আভায় মেতে উঠলেন বাগবাজার সার্বজনীনের মহিলারা

| Oct 05 2022, 01:48 PM IST

দশমীর বিদায় বেলা, সাঙ্গ হল সিঁদুর খেলা, রাঙা আভায় মেতে উঠলেন বাগবাজার সার্বজনীনের মহিলারা
দশমীর বিদায় বেলা, সাঙ্গ হল সিঁদুর খেলা, রাঙা আভায় মেতে উঠলেন বাগবাজার সার্বজনীনের মহিলারা
Share this Article
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Email

সংক্ষিপ্ত

সিঁদুরখেলার আনন্দ দিয়ে বিদায়ের কান্নাকে দমিয়ে রাখার যে অপরূপ প্রচেষ্টা যুগ যুগান্তর ধরে চলমান, তার সঙ্গে মেতে থেকেই আজ বিজয়ার মহালগ্নে প্রত্যেক বাঙালির মনস্কামনা, আসছে বছর আবার এসো মা। 

বাগবাজার সার্বজনীনে সাবেকিয়ানার দুর্গাপুজোয় উমার বিদায় বেলা। সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন মহিলারা। তাঁদের মধ্যে কেউ রয়েছেন নববধু, কেউ কেউ আবার শাশুড়ি, ঠাকুমা কিংবা দিদিমা। শাস্ত্র অনুসারে লাল সিঁদুর শক্তির প্রতীক। শাস্ত্র মতে নারী হলেন শক্তি, সেই শক্তিকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য সিঁদুরের ব্যবহার করা হত। পরবর্তীকালে রাঙা সিঁদুর হয়ে উঠেছে নারীর সাজের অঙ্গ।

বিজয়া দশমীর বরণকালে সিঁদুর হয়ে ওঠে বাঙালি নারীর খেলার উপকরণ। সিঁদুরে একে অপরের গাল, কপাল রাঙিয়ে ভালোবাসা আর মেলবন্ধন গড়ে তোলেন মহিলারা। ছোট ছোট শিশুদের কপালেও দেখা যায় লাল তিলক। আনন্দের মুহূর্তে মা দুর্গার বিদায়বেলার অশ্রুও বরণের সিঁদুরে ঢাকা পড়ে যায় অনেকখানি। তেমনই আবেগঘন সিঁদুরকেলিতে মেতে উঠলেন বাগবাজার সার্বজনীনের মহিলারা। 

Subscribe to get breaking news alerts

দশমীর শেষবেলার আনন্দ থেকে বাদ পড়েননি পুরুষরাও। তাঁদেরকেও দেখা গেল কপালে রাঙা সিঁদুরের তিলক কেটে উমার বরণে অংশ নিতে। একটানা ২ বছরের মহামারী কাটিয়ে ২০২২-এ মানুষের দুর্গাপুজোর উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। ঘরের বাঁধন থেকে মুক্তি পাওয়া বাঙালি একটানা প্রায় দশদিন ধরে ছুটে বেরিয়েছেন এক প্যান্ডেল থেকে আরেক প্যান্ডেলে, তার ওপর জুড়ে গেছে ইউনেস্কোর হেরিটেজ সম্মান। সেই পুজোকে বিদায় জানানোটা অবশ্যই বিশেষ উদ্দীপনার এবং আবেগের। তাই ২০২২-এর দুর্গাপুজো প্রত্যেক বাঙালির জন্য এক অবিস্মরণীয় উৎসব। 

সিঁদুরখেলা সাঙ্গ হলেই ঘরের মেয়ে ফিরে যাবে কৈলাশে। মাত্র ৫ দিনের উৎসবে যেন প্রাণ ভরে না আমজনতার। কেবলমাত্র দেবীরূপে নয়, ঘরের মেয়ে রূপে যে প্রতিমাকে সাজিয়ে তোলেন, আগলে রাখেন সমস্ত পুজো উদ্যোক্তারা, সে বাড়ি হোক, কিংবা বারোয়ারি, সেই মেয়ের বিদায়লগ্নে কেঁদে ফেলেন মৃৎশিল্পী, পুরোহিত থেকে শুরু করে অন্দরমহলের মহিলারাও। সিঁদুরখেলার আনন্দ দিয়ে সেই কান্নাকে দমিয়ে রাখার যে অপরূপ প্রচেষ্টা যুগ যুগান্তর ধরে চলমান, তার সঙ্গে মেতে থেকেই আজ বিজয়ার মহালগ্নে প্রত্যেক বাঙালির মনস্কামনা, আসছে বছর আবার এসো মা। 

আরও পড়ুন-
ভারতে যখন দেবীপক্ষ, ইরানে উড়ছে নারীদের চুলের ধ্বজা, ‘বরদাস্ত করব না’, হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির
জেলের গান শুনে পিছন দিকে ফিরেছিল দেবীর পুজোর ঘট, কাঁথির কিশোরনগর গড় রাজবাড়ির দুর্গা তাই পূজিতা হন পশ্চিমমুখে
পুজোতে কলকাতায় থাকলেও ,এবার কিন্তু মুক্তেশ্বর ,নৈনিতাল ,আলমোড়ার টানেই কাটবে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের পুজো