সংক্ষিপ্ত
- ১৯ মে কলকাতায় ভোট।
- তার দিন চারেক পরেই বোঝা যাবে আগামী পাঁচ বছর জনতার মসনদে বসবেন কে।
- তার আগে এই কদিন সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে রাজ্য বিজেপি।
কখনও কল্যাণী কখনও ঘাটাল। মমতাকে আক্রমণ করতে , দলীয় কর্মীদের চাগিয়ে দিতে বারবার বাংলামুখী হচ্ছেন বিজেপি সুপ্রিমো। মধ্যভারতে দলের পারফরম্যান্স খুব সুবিধের নয় জেনেই বাংলাকে পাখির চোখ করেছেন অমিত শাহ। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থমনোরথ হয়ে ফিরতে হয়েছে. কোচবিহারে মোদীর সভায় লক্ষাধিক লোক হলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন লোক টানতে পারেনি অমিত শাহ-র সভা। এদিকে হাতেও রয়েছে ঠিক দুসপ্তাহ। তাই এবার মরণকামড় দিতে চাইছেন বিজেপি হাই কমান্ডো অমিত শাহ। তাঁর ডেস্টিনেশন রাজ্যের প্রাণকেন্দ্র, সোজা কলকাতা।
মমতা ব্যানার্জীর সাধের মেট্রো চ্যানেল থেকে রোড শো শুরু করতে চলেছেন অমিত শাহ।
ঠিক কী হবে এই রোড শো- রোড ম্যাপ? বিজেপির অন্দরের খবর দক্ষিণ কলকাতায় সংগঠন মজবুত নয় এ কথা বিলক্ষণ জানে বিজেপি। তাই উত্তর কলকাতাকেই পাখির চোখ করছে বিজেপি। বিজেপির রোড শো আগামী ১৭ মে মেট্রো চ্যানেলে শুরু হয়ে যাবে সিমলা স্ট্রিট পর্যন্ত।
প্রসঙ্গত, ১৯ মে কলকাতায় ভোট। তার দিন চারেক পরেই বোঝা যাবে আগামী পাঁচ বছর জনতার মসনদে বসবেন কে। তার আগে এই কদিন সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে রাজ্য বিজেপি। প্রথমে পরিকল্পনা ছিল বারানসীর ধাঁচে মোদীর রোড শো হবে কলকাতায়। তবে সেই পরিকল্পনা বাতিল করেছেন মোদী নিজেই। অগত্যা ভরসা অমিত শাহই।
বিরোধীদের দাবি অমিত শাহ মঞ্চে জমাতে পারছেন না। খাঁ খাঁ মাঠে সভা করা নিয়ে দলের ভিতরেও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। অমিত শাহকে কল্যাণীতে শান্তনু ঠাকুরকে ধমকাতেও দেখা যায়। অগত্যা অনেকটা মমতা ব্যানার্জী মডেলে রোড শো-এর পথেই হাঁটছে বিজেপি। তাতে শেষ রক্ষা হয় কিনা সময় বলবে।