সুপ্রিম কোর্টে চেক বাউন্স মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে অভিনেতা রাজপাল যাদবের কথোপকথন হয়। সেখানে তিনি নিজের আর্থিক ক্ষতি ও আইনি লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টে চেক বাউন্স মামলার শুনানি চলছিল। সেখানে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে অভিনেতা রাজপাল যাদবের বেশ হালকা মেজাজে কথাবার্তা হয়। নিজের দীর্ঘদিনের আইনি ও আর্থিক ঝামেলার অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি ছবির নামও ভেবে ফেলেছেন বলে আদালতে জানান তিনি। রাজপাল বলেন, ২০১০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তাঁর এই লড়াইয়ের কথা মাথায় রেখে ছবির নাম 'সোলহা সাওয়ান ঝেল কে' (১৬টা বর্ষা সহ্য করে) রাখার কথা ভেবেছেন তিনি।

আদালত কক্ষে মজার কথোপকথন

চেক বাউন্স মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত অভিনেতাকে জিজ্ঞেস করেন, "নতুন কিছু বানাচ্ছেন না?" জবাবে প্রধান বিচারপতিকে প্রণাম জানিয়ে রাজপাল নিজের কেরিয়ার ও আর্থিক ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "স্যার, প্রণাম জানাই। আড়াইশো-র মতো ছবি করেছি। গত ১৩ বছরে আড়াইশো কোটি টাকার মতো লোকসানও হয়েছে। 'আতা পাতা লাপাতা' ছবিতে আমার ১৭ কোটি টাকা ডুবেছে।"

এরপর পরিস্থিতি কিছুটা হালকা হয়। প্রধান বিচারপতি অভিনেতাকে নতুন ছবি বানিয়ে দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, "একটা ভালো সিনেমা বানিয়ে মানুষকে এন্টারটেইন করুন।"

'সোলহা সাওয়ান ঝেল কে'

এরপর বেঞ্চের সামনে রাজপাল জানান, ২০১০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তিনি ইতিমধ্যেই একটা নাম ভেবে ফেলেছেন। তিনি বলেন, "স্যার, ২০১০ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত যা যা ঘটেছে, তার একটা টাইটেলও আমরা ভেবেছি, সোলহা সাওয়ান ঝেল কে।" শুনানিতে নিজের দীর্ঘ আইনি ও আর্থিক লড়াইয়ের কথা বোঝাতেই এই নামটির কথা উল্লেখ করেন তিনি।

মামলার প্রেক্ষাপট

বেশ কয়েক বছর ধরেই এই চেক বাউন্স মামলায় জড়িয়ে রয়েছেন রাজপাল যাদব। 'আতা পাতা লাপাতা' ছবির জন্য নেওয়া একটি ঋণ ঘিরেই এই বিবাদ। ২০১০-এর দশকের শুরু থেকেই আদালতে এই মামলা চলছে।