Rajpal Yadav: ২০১০ সালে একটি ছবি তৈরির জন্য নেওয়া ঋণের অর্থ পরিশোধ না করতে পারায় এই মামলা হয়। চেক বাউন্স মামলায় অভিনেতা রাজপাল যাদবকে বড় শর্ত দিল সুপ্রিম কোর্ট।
Rajpal Yadav: চেক বাউন্স মামলায় নতুন মোড়! জেলে যাওয়া এড়াতে বড় অঙ্কের টাকা জমা দিতে হবে অভিনেতা রাজপাল যাদবকে। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে,আদালতে ৫ কোটি টাকা জমা দিতে হবে বুধবারের মধ্যে। সেই শর্ত পূরণ হলে তবেই আত্মসমর্পণ করে সাজার বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখার সুযোগ মিলতে পারে।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রাজপালের আবেদনের শুনানি হয়। আদালত শর্তসাপেক্ষে নোটিস জারি করে তাঁকে ৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১৫ সেপ্টেম্বর বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ২০১০ সালে নিজের পরিচালিত একটি ছবি ‘অতা পতা লাপতা’ তৈরির জন্য মুরলী প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন রাজপাল। ছবিটি প্রত্যাশা মতো ব্যবসা না করায় সেই ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। সুদ-সহ বকেয়া অর্থের পরিমাণ পরে প্রায় ৯ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছয়।
ঋণ পরিশোধের জন্য দেওয়া একাধিক চেক বাউন্স করার অভিযোগে রাজপাল, তাঁর স্ত্রী রাধা যাদব-সহ তাঁদের প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপাল ও তাঁর স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে। এ ছাড়াও অভিনেতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেশনস আদালতও সেই রায় বহাল রাখে। দিল্লি হাই কোর্টেও মেলেনি স্থায়ী স্বস্তি। এর পর দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন রাজপাল। ২০২৪ সালের জুনে আদালত তাঁর সাজা সাময়িক ভাবে স্থগিত করে বকেয়া অর্থ পরিশোধের জন্য বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত অর্থ পুরোপুরি পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজপাল আত্মসমর্পণ করে তিহাড় জেলে যান। পরে অভিযোগকারী পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে ১.৫ কোটি টাকা জমা দিয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী জামিন পান তিনি। প্রায় ৯ কোটি টাকার বকেয়া মেটাতে আরও সময় চাইলেও দিল্লি হাই কোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পরেই আত্মসমর্পণ থেকে অব্যাহতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা। আপাতত শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার শর্তে তিনি কিছুটা স্বস্তির সুযোগ পেয়েছেন।
