রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর টলিপাড়ার শিল্পীমহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। টলিপাড়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ থেকে শিল্পীদের মর্যাদা রক্ষা এই নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য। কী বললেন?

টলিপাড়ার সঙ্গে তৃণমূল দলের সম্পর্কের কথা কারও অজানা নয়। তৃণমূলের কোনও পদযাত্রা থেকে সভা- সব সময় টলিতারকাদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে সকলের। ফলে সরকার বদলে শিল্পীমহলে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এতদিন বাংলায় কোনও ছবি মুক্তিতে রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না, এমনটা ছিল অবিশ্বাস্য। এবার বদল হবে এই চিত্র। সদ্য টলিপাড়া নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কে ছবি বানাবে, কার ছবি নন্দনে আগে মুক্তি পাবে, সেটাও কি অন্য কেউ ঠিক করবে? শিল্পীর মর্যাদা শিল্পীরাই রক্ষা করতে পারেন।

এদিকে ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, যিশু সেনগুপ্ত, পায়েল সরকার, ঋষি কৌশিক, কৌশিক রায়-সহ আরও অনেকে।

এবার অনেকেই আশা করছেন টলিপাড়ার চিত্র বদল হবে। একসময় ফেডারেশনের সভপতি স্বরূপ বিশ্বাস বলেছিলেন যে কোনও বাণিজ্যিক ছবি মুক্তির আগে ফেডারেশনের অনুমতি প্রয়োজন। এটি একটি ঘটনা নয়, টলিপাড়ার ওপর যে রাজনৈতিক দলের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ছিল তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এর প্রমাণ মিলেছে পদে পদে। আশা করা যাচ্ছে এবার বদল হবে এই চিত্র।

এদিকে সদ্য এই পালাবদল নিয়ে মঙ্গলবার মুখ খুললেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যের নতুন সরকার এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "এখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক প্রতিভা রয়েছে। আমি চাই নতুন প্রজন্মের জন্য উন্নয়ন হোক, ব্যবসা বাড়ুক। আমরা অনেক আশা নিয়ে ভোট দিই, সেই আশা পূরণ হওয়া উচিত।"

এদিকে বিজেপির জয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবের পোস্ট বেশ ভাইরাল হয়েছিল। দেব বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন, “বঙ্গের নতুন সরকার গঠনের জন্য প্রাপ্ত জনসমর্থনের জন্য বিজেপিকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আশা করি, এই সরকার আমাদের রাজ্যের উন্নয়ন, শান্তি ও সামগ্রিক অগ্রগতির লক্ষ্যে কাজ করবে এবং সর্বস্তরের মানুষের কণ্ঠস্বরকে যথাযথ গুরুত্ব দেবে।” তখন থেকে অনেকের ধারণা এবার দেব যোগ দিতে চলেছে বিজেপিতে। একই ধারণা রাজ চক্রবর্তীকে নিয়েও।