বছরের শেষটা ভালোই কাটছে সৃজিতের। বিয়ে থেকে হানিমুন, জীবনের আরও একটা অধ্যায় সাজিয়ে নেওয়ার পালা। সম্প্রতি মিথিলার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন পরিচালক। ফলে সেলিব্রিটি বর কনেকে নিয়ে এখন বেজায় মেতে ভক্তরা। সৃজিতও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে চলেছেন তাঁর এই নতুন জার্নির বেশ কিছু ছবি। হানিমুন থেকে ফিরে এসেই শ্বশুরবাড়িতে ভরপেট খাওন-দাওন। 

আরও পড়ুনঃ রহস্য অভিযানে দক্ষিনেশ্বরে ফেলুদা, প্রকাশ্যে এল ছবি

বাংলাদেশে জামাই আদরে পাতে পড়ল কোন কোন পদ, তা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন সৃজিত। পদের ছবি সহ লিখেছিলেন শ্বশুরবাড়িতে প্রথম অফিসিয়াল ভুরিভোজ- ঝিরিঝিরি আলুভাজা, লোটে-শুটকি, ডাল, কড়াইশুঁটি দিয়ে পাবদা মাছ, মুরগির ঝোল, বাঁধাকোপি দিয়ে গরুর ঘোষ্ট। এই মেনু কেন রয়েছে গো-মাংস, মুহুর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন ওঠে সৃজিতের পোস্ট ঘিরে, হিন্দু হয়ে গো-মাংস! 

খাদ্যরসিক পরিচালক একপ্রকার কব্জি ডুবিয়ে খাওয়ার মতই গুছিয়ে উত্তর দিলেন, সঙ্গে মনে করিয়ে দিলেন, সংযোগ যাতে ভাঙতে বাধ্য না হন তিনি, তাই কড়া সুরে লিখলেন বাইশে শ্রাবণের সংলাপ কিন্তু তারই লেখা। সৃজিতের এই পোস্ট দেখা মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে পরিচালকের সমর্থনে সরব হন একাধিক ব্যক্তি, কারুর যুক্তিতে উঠে আসে খাবারের কোনও জাত হয় না, আবার কেউ বুঝিয়ে দেন খাদ্যরুচি একান্ত মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়। সকলের পোস্টই সৃজিত শেয়াকর করলেন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়।