হলিউডের সবচেয়ে বড় বড় সিনেমার পরিচালক হয়েও ক্রিস্টোফার নোলান স্মার্টফোন ছাড়া জীবন কাটান। এই অস্কারজয়ী পরিচালকের মতে, ডিজিটাল দুনিয়ার কোলাহল থেকে দূরে থাকলে তিনি কাজে মন দিতে পারেন এবং তাঁর সৃজনশীলতাও বাড়ে।

যদিও নোলান সিনেমার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, তিনি স্মার্টফোন থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছেন। তাঁর মতে, তিনি খুব সহজে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন, তাই সারাক্ষণ ইন্টারনেট হাতের কাছে রাখতে চান না। এই ডিজিটাল বাধাগুলো কমিয়ে তিনি নিরবচ্ছিন্ন চিন্তার জন্য আরও বেশি জায়গা তৈরি করেন। এতে তাঁর মাথায় নতুন ভাবনা সহজে আসে।

নোলান বিশ্বাস করেন, তাঁর সেরা আইডিয়াগুলো তখনই আসে যখন তাঁর মন ক্রমাগত নোটিফিকেশন বা স্ক্রোলিং থেকে মুক্ত থাকে। অবসর সময়টা অনলাইনে না কাটিয়ে তিনি নীরবতা এবং ভাবনাচিন্তার মুহূর্তগুলোকে গুরুত্ব দেন। এই পরিচালকের মতে, তাঁর লেখা ও গল্প বলার পদ্ধতিতে এই অভ্যাসটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নোলানের ফ্লিপ ফোন ব্যবহার করার অভ্যাস আসলে তাঁর সিনেমা তৈরির দর্শনেরই প্রতিফলন। তিনি বরাবরই অপ্রয়োজনীয় ডিজিটাল এফেক্টসের বদলে প্র্যাকটিক্যাল এফেক্টস, বড় ফরম্যাটের ফিল্ম ক্যামেরা এবং সিনেমাহলের দুর্দান্ত অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। শোনা যায়, এত বড় মাপের প্রোডাকশন সামলানো সত্ত্বেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইমেল ব্যবহার করেন না। তাঁর টিম যোগাযোগের বিষয়টি দেখে, যাতে তিনি গল্প তৈরি ও পরিচালনায় মন দিতে পারেন।