পরবর্তী আইএসএলে সবুজ মেরুন সমর্থকদের জন্য থাকছে সুখবর। আইএসএলে এতদিন  এটিকে-র হোম ম্যাচ যুবভারতীতে হত। কিন্তু ভবিষ্যতে মোহনবাগান মাঠকেই যে এটিকে-মোহনবাগানের হোম স্টেডিয়াম করতে চাইছেন, তা পরিষ্কার করে দেন ক্লাব মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তিনি বলেন যে মোহনবাগান ক্লাবের মতো মোহনবাগান মাঠটিও ঐতিহাসিক। অনেক কিংবদন্তি এই মাঠে খেলেছেন। যুবভারতী নিজের জায়গায় আছে, কিন্তু মোহনবাগান মাঠের নিজস্ব ঐতিহ্য, আবেগকে আরও বড় মর্যাদা দিতে এই মাঠকেই হোম ম্যাচের ভেন্যু করতে চাইছেন তারা।

আরও পড়ুনঃএবার ভারতীয় ক্রিকেটে করোনার থাবা, আক্রান্ত তারকা ক্রিকেটার

কিন্তু বললেই কি সহজ হবে সেটা করা? সঞ্জীব বাবু জানিয়েছেন এখনও সময়ও লাগবে। হয়তো পরের মরসুমেই হবে না। কিন্তু এখন থেকে তিন বছর পরে হয়তো তা সম্ভব হতে পারে। এই উচ্চাকাঙ্খা রেখেই এগোচ্ছেন তারা।  গোয়েঙ্কা আরও জানিয়েছেন ,মোহনবাগান ক্লাবের ইতিহাস এবং আবেগকে সম্মান করেন বলেই সম্পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে জার্সির রং, লোগোতে মোহনবাগানের উপস্থিতি ধরে রাখা হয়েছে। ক্লাবের মাঠকেও তারা বড় করে তুলে ধরতে চান।

আরও পড়ুনঃখুব শীঘ্রই আইএসএল খেলবে ইষ্টবেঙ্গল, সমর্থকদের আশ্বস্ত করলেন ক্লাব কর্তা

আরও পড়ুনঃকরোনা জেরে আর্থিক সংকট, সখের গাড়ি বিক্রির সিদ্ধান্ত দ্যুতি চাঁদের

এটিকে-মোহনবাগানের নামে ‘ফুটবল-স্কুল’ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এই ফুটবল স্কুল তারা ছড়িয়ে দিতে চান সারা দেশে। গোয়েঙ্কা বলছেন যে বাংলায় ইতিমধ্যেই ছোটখাটো করে এই স্কুল তারা শুরু করেছেন। এরপর সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং নতুন প্রতিভা তুলে আনাই তাদের প্রধান লক্ষ্য হবে। এই স্কুল থেকে এমন সব খেলোয়াড় বের করা, যারা জাতীয় স্তরে নজরে আসবে ভবিষ্যতে এমনটাই আশা করছেন তিনি। তরুণ প্রতিভার উদাহরণ দিতে গিয়ে গত বছর এটিকে রিজার্ভ দলের সুমিত রাঠির কথা বলেছেন তিনি। আইএসএলের শেষ দিকে এটিকের ম্যানেজার হাবাসকে সব ম্যাচে ওকে খেলাতে হয়। এই ধরনের প্রতিভা তুলে আনাটাই ওই স্কুলগুলির লক্ষ্য হবে।