করোনা মোকাবিলায় ভারতে চলছে পঞ্চম দফার লকডাউন। যদিও পঞ্চম দফার লকডাউনে বেশ কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। লকডাউন শিথিল করেছে রাজ্যসরকারগুলি। করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশেও পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে  সব দেশের সরকার। পরিস্থিতি অনুয়ায়ী নিয়ম কঠোর বা শিথিল হয়েছে গোটা বিশ্ব জুড়ে। যেমন নিয়ম লাগু করা হয়েছে, তেমনই পাল্লা দিয়ে চলেছে নিয়ম না মানার পালাও। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নিয়ম ভেঙে বিপদে পড়েছে একাধিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্বও। লকডাউন ভেভে পার্টি শাস্তির মুকে পড়তে হয়েছে ইপিএলের ক্লাব ম্যান সিটি সহ আর বেশ কয়েকটি ক্লাবের ফুটবলারদের। লকডাউনের মাঝে গাড়ি নিয়ে ব্যাঙ্ক থেকে ফেরার সময় জরিমানা দিতে হয় ভারতীয় ক্রিকেটার ঋষি ধাওয়ানকে। শ্রীলঙ্কান পেসার শেহান মদুশঙ্কা লকডাউনে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে আটক হন। তাঁর কাছে মাদক দ্রব্য মেলায় পরে গ্রেফতার হন তিনি। এছাড়াও রয়েছে একাধিক উদাহরণ।

আরও পড়ুনঃআমফানে লন্ডভন্ড সুন্দরবনের পাশে দাঁড়ালেন সস্ত্রীক ফুটবলার শিল্টন পাল

আরও পড়ুনঃনেইমারের নামে বরাদ্দ ১০৫ ডলার করোনা ভাতার টাকা,আজব কাণ্ড ব্রাজিলে

এবার সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করায় রোষের মুখে পড়ল চিনের অনুর্ধব ১৯ দলের ৬ জন ফুটবলার। গত ১৭ মে থেকে সাংহাইয়ে ৩৫ জন ফুটবলারকে নিয়ে চিনের অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হয়। এই ক্যাম্প শেষ হয় গত শনিবার। ক্যাম্পের ৬ জন ফুটবলার অনুমতি ছাড়াই মাঝরাতে মদ্যপানের জন্য বাইরে যেতেন। একাধিকবার ঘটে এই ঘটনা, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দলের উপর। করোনা রোধে কার্ফু ভেঙে রাতে রাস্তায় বেরোনোয় ফুটবল ফেডারেশনের রোষের মুখে পড়তে হয় ৬ ফুটবলারকে। চিনা ফুটবল সংস্থা ৬ ফুটবলারকে ৬ মাসের জন্য নির্বাসিত করে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কোনও ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না এই ৬ ফুটবলার। শুধু জাতীয় দলেই নয়, সংশ্লিষ্ট ফুটবলারদের শাস্তি দেবে তাঁদের ক্লাবও। ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেও, তাদের শাস্তি না কমানোর সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয়েছে। তাদের দেখে যাতে অন্যরা শিক্ষা নেয়, সেই কাণেই তাদের শাস্তি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে চিনা ফুটবল ফেডারেশন। এবার দেখার ওই ৬ ফুটবলারের ক্লাব তাদের কী শাস্তি দেয়।  

আরও পড়ুনঃহঠাৎ কেন নিজেকে 'জম্বি' ভাবছেন দীনেশ কার্তিক,জানালেন নিজেই