করোনা ভাইরাসের প্রকোপের জেরে জেরবার সাম্বার দেশ ব্রাজিল। প্রতিদিন লাফিয়ে লাপিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্ুর সংখ্যাও। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ। ব্যাপক আঘাত হেনেছে ফুটবলের দেশের অর্থনীতিতেও। করোনা ভাইরাসের জন্য দেশের বেশ কিছু শ্রমিকের চাকরি গিয়েছে। এ ছাড়াও রুটি-রুজি হারিয়েছেন বহু মানুষ। দুঃস্থ, দরিদ্রদের সহায়তার জন্য ভাতারও ব্যবস্থা করেছে ব্রাজিল সরকার। কিন্তু শুনলে চমকে উঠবেন সেই ভাতার তালিকায় নাম রয়েছে ফুটবল তারকা নেইমারেরও।

আরও পড়ুনঃ'কালু' শব্দের মানে জেনে ক্ষোভে ফুঁসছেন ড্যারেন সামি

বেশ কয়েক বছর বার্সেলোনার কাটিয়ে রেকর্ড অর্থ নিয়ে ফরাসী ক্লাব পিএসজিতে সই করেছিলেন নেইমার জুনিয়র। এখনও ফ্রান্সের ক্লাবের হয়েই প্রতিনিধিত্ব করছেন ব্রাজিল তারকা। সেই নেইমারই ছিলেন ব্রাজিল সরকারের  তৈরি করা করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায়। শুধু থাকা নয়, নেইমারের বরাদ্দ হয়ে গিয়েছিল ভাতাও।  ফুটবল তারকার জন্য নির্দিষ্ট ৬০০ রিয়াল বরাদ্দ করা হয়। অর্থাৎ প্রায় ১০৫ ডলার। ভাতা দেওয়ার একেবারে শেষ তা নজরে আসে সরকারি আধিকারিকদের। শেষ পর্যন্ত করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ভাতার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয় ব্রাজিল ফুটবলের ওয়ান্ডার বয়ের।

আরও পড়ুনঃ'সৌরভ চাইলে আইসিসির চেয়ারম্যান হতে পাকিস্তানের সমর্থনের দরকার পড়বে না'

আরও পড়ুনঃহঠাৎ কেন নিজেকে 'জম্বি' ভাবছেন দীনেশ কার্তিক,জানালেন নিজেই

কিন্তু কীভাবে সরকারি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় এল নেইমারের নাম। আর ব্রাজিল সরাকারের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাগজপত্র জমা দিয়েও এই বাতার তালিকায় নাম তুলতে হয়। তাহলে কীভাবে? কী করে এত বড় একটা ভুল হল সেই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে ব্রাজিলে। প্রশ্ন উঠছে বিশ্বে অন্যতম নামী ও বিত্তবান ফুটবলার কেনই বা আবেদন করতে গেলেন? নাকি অন্য কেউ এই মারাত্মক কাজটি লুকিয়ে করেছে, সেই নিয়ে চলছে জল্পনা। অবশ্য বিষয়টিতে প্রসাসনিক ভুল স্বীকার করলে সমস্যা মিটে যায়। তবে এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে ব্রাজিল সরকার। কোনও মন্তব্য করেননি নেইমারও। তবে এমন আজব খবর সোশ্যাল মিডিয়ায়র ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি নেটাগরিকদের মাধ্যমে।