করোনা জেরে বিধ্বস্ত ছিল গোটা ইতালি। দেশ জুড়ে চলছিল মৃত্যুমিছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাগাতার চলছিল লকডাউন।  বন্ধ ছিল ইতালির সমস্ত ধরনের স্পোর্টিং ইভেন্ট। করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন একের পর এক ফুটবলার। সেই তালিকায় ছিলেন  জুভেন্টাসের তিন ফুটবলার ড্যানিয়েলে রুগানি ও ব্লেইসে মাতুইদি ও পাওলো দিবালা। আতঙ্ক গ্রাস করেছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকেও।  ইতালিতে করোনাভাইরাস বাড় বাড়ন্তের পরই পর্তুগালে নিজের শহর মাদেইরাতে ফিরে গিয়েছিলেন রোনাল্ডো। গত দু’মাস সেখানেই পরিবারের সঙ্গে কাটাচ্ছিলেন তিনি। করোনা মোকাবিলায় সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সিআর সেভেন।

আরও পড়ুনঃপাক ক্রিকেটে দুর্নীতির মাত্রা কখনওই কম ছিল না,বিস্ফোরক মন্তব্য মহম্মদ আসিফের

খারাপ সময় পুরোপুরি না কাটলেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ইতালি। শিথিল হয়েছে লকডাউনও।প্রাথমিক ভাবে তাঁর ইটালিতে ফেরার কথা ছিল ১৮ মে নাগাদ। তখনই সিরি আ-র ক্লাবগুলোর অনুশীলন শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু ইতালির সরকার ইতিমধ্যে সিরি এ-র দলগুলোকে অনুশীলন শুরু করার অনুমতি দিয়েছে। ফলে, জুভেন্টাস তাদের বিদেশি ফুটবলারদের ফেরার নির্দেশ দেয়। ক্লাবের নির্দেশ পেয়েই প্রায় দীর্ঘ ২ মাস পর তুরিনে ফিরলেন জুভেন্তাস তথা সিরি এ ফুটবল লিগের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।  প্রাইভেট জেটে সোমবার রাতের দিকে তুরিন বিমানবন্দরে পৌঁছন রোনাল্ডো। বাইরে থেকে কেউ দেশে এলে ইাতালি সরকার ১4 দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে, রোনাল্ডো ও তাঁর পরিবারকেও তা মানতে হচ্ছে। কোয়রান্টিন পর্ব মেটার পর তিনি অনুশীলন শুরু করবেন।

আরও পড়ুনঃলকডাউনের নিয়ম ভেঙে পার্টি, বিতর্কে ম্যান ইউর ফুটবলার মার্কোস রোজো

আরও পড়ুনঃফাঁকা স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়বে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

শুধু রোনাল্ডোই নয়, ধীরে ধীরে ফিরছেন জুভেন্তাসের সহ অন্যান্য ক্লাবের ফুটবলাররাও। লিগ করে থেকে শুরু হবে তার সরকারি ঘোষণা না হলেও,অনুশীলনে নামতে মরিয়া প্লেয়াররা।  যদিও লিগ শুরু হলে তা হবে ফাঁকা স্টেডিয়ামে। খতিয়ে দেখা হবে প্লেয়ার, কোচ, সাপোর্টিং স্টাফদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টিও। মাঠে খেলা দেখতে না পেলেও, টিভির পর্দায় দেখা যাবে খেলা।  ফুটবল ফেরার ইঙ্গিতে খুশি দেশবাসীও। ফুটবলের হাত ধরেই কান্নার রোল ভুলে হাসতে চাইছে ইতালি।